bangla-sydney
bangla-sydney.com
News and views of Bangladeshi community in Sydney












এই লিংক থেকে SolaimanLipi ডাউনলোড করে নিন



বঙ্গবন্ধুঃ নেতা ও নেতৃত্ব
অধ্যাপক শামস্ রহমান



আজকাল যে কেউ যেন নেতা। রাজনীতিতে নাম লেখালেই রাতারাতি বনে যান নেতা রূপে। তা দেশে-বিদেশ সমান। নেতা হওয়া কি এতই সহজ? যদি তা না হয়, তবে কিসে হয় নেতা? কিইবা তাদের নেতৃত্বের গুণাবলী?

নেতাদের থাকে কল্পনা শক্তি। তারা দেখেন স্বপ্ন। সে স্বপ্ন সাধারণ মানুষের জন্য। নেতাদের থাকে সাহস, প্রতি পদক্ষেপে দেয় নির্ভীকতার পরিচয়। মানুষের জন্য নিজেকে উৎসর্গ করাই তাদের জীবনের কামনা ও বাসনা। সমাজকে উদ্বুদ্ধ করার মাঝে তাঁরা সমগ্র জাতিকে করে অনুপ্রাণিত। আবেগ ও ভালবাসা দিয়ে সাধারণ মানুষের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করে বটে, তবে যুক্তি-তর্ক ও তথ্যের মাঝে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে এগিয়ে নিয়ে যায় অভিষ্ঠ লক্ষে। তারা নিরহংকারী এবং বিনয়ী। তাদের চিন্তা, কথা ও কাজে পরিলক্ষিত হয় এক গভীর সমন্বয়। তাই প্রতিটি পদক্ষেপে প্রকাশ পায় মূল্যবোধের ইন্টেগ্রিটি।

নেতাদের থাকে ভিশন। তাঁরা দেয় দূরদর্শিতার পরিচয়, আর যা তাদের রূপান্তরিত করে ভিশনারীরূপে। ভবিষ্যতে কি ঘটবে বা ঘটতে পারে, যা সাধারণ জনগণের উপলব্ধির ঊর্ধ্বে, তা দেখা, বোঝা এবং তার ভিত্তিতে জনগণের স্বার্থে সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং নীতি নির্ধারণ করে, রাষ্ট্রীয় জীবনে তার প্রয়োগ করাই সত্যিকারের নেতার কাজ। আর এসব মাপকাঠিতে বঙ্গবন্ধুর অবস্থান কোথায়?

বাঙ্গালি জাতির পরাধীনতা মোচনে বঙ্গবন্ধুর ভূমিকা শুধু স্বাধীনতা ঘোষণা অথবা স্বাধীনতা যুদ্ধের মাঝেই সীমাবদ্ধ নয়। তাঁর অবদান অনেক ব্যাপক ও গভীর। নেতা হিসেবে তাঁর প্রজ্ঞা, মানুষের জন্য অকৃত্রিম ভালোবাসা এবং সর্বোপরি তার সাহস ও দৃঢ় মনোবল বাঙালি জাতিকে ধাপে ধাপে স্বাধীনতার দিকে পরিচালিত করে। ১৯৫২-এর ভাষা আন্দোলনে বাংলার মানুষ যে বীজ বপন করে কাদামাটি জলে, ১৯৭১-এ তা আত্মপ্রকাশ করে এক যৌবনা-বলিষ্ঠ বৃক্ষে। কখনোই মসৃণ ছিল না দীর্ঘ ২০ বছরের এ ইতিহাস। বঙ্গবন্ধু এই ইতিহাসের নীরব দর্শক নন, এই ইতিহাসের স্রষ্টা।

বঙ্গবন্ধুর প্রতিটি পদক্ষেপ ছিল সুচিন্তিত ও সুপরিকল্পিত। ১৯৫৫ সালে তিনিই প্রস্তাব করেন দলের নাম আওয়ামী মুসলিম লীগ থেকে আওয়ামী লীগে পরিবর্তনের জন্য। এটি নিঃসন্দেহে একটি ভিশনারী পদক্ষেপ। এই পরিবর্তন শুধু একটি শব্দ বর্জন করাই নয়, এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে প্রচলিত হয় গণতান্ত্রিক প্রেক্ষাপটে প্রগতিশীল রাজনৈতিক চিন্তা-চেতনা, জন্ম নেয় মধ্যবিত্ত ও নিম্ন মধ্যবিত্ত সমাজের এক নতুন রাজনৈতিক ধারা। আর তা হচ্ছে রাজনীতিতে ধর্ম নিরপেক্ষতার সংযোজন। সেদিন বঙ্গবন্ধু স্বপ্ন দেখেছিলেন ভিন্ন ধর্ম ও বর্ণের মানুষের সমন্বয়ে এক নতুন সামাজিক বন্ধনের। বর্তমান বিশ্বের দিকে তাকালে বোঝ যায় এর মর্ম ও তাৎপর্য।

রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক পরাধীনতা থেকে মুক্তির প্রয়াসে ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধু ও তার দল ঐতিহাসিক ছয় দফা প্রস্তাব পেশ করে এবং বাস্তবায়নের দাবি করেন। এটি একটি সুচিন্তিত ও সুনির্দিষ্ট দাবী, যার মাঝে অন্তর্নিহিত ছিল সাধারণ মানুষের আশা আকাঙ্ক্ষা, যা ছিল বাঙালি জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের পথে এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপ। পাকিস্তানের শেষ দিন পর্যন্ত তিনি আপোষ করেননি ছয় দফার সাথে। শুধু তাই নয়, ৩রা জানুয়ারি ১৯৭১ নব নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ছয় দফার উপর শপথ করান। এই ঘটনাকে অর্থনীতিবিদ নুরুল ইসলাম এভাবে তুলে ধরেন: ““All the members of Parliament were called upon to solemnly swear an oath that they would never betray the masses who had entrusted them to realise the six-points programme”“ (Islam, p. 96, 2005 Making of a Nation – Bangladesh: an Economist’s Tale, The University Press Limited)। এর মাঝে পুনরায় পরিলক্ষিত হয় বঙ্গবন্ধুর ইন্টেগ্রিটি বা নেতৃত্ব প্রদানের ভিশনারী দিকটি। নিঃসন্দেহে, ইন্টেগ্রিটি বর্জিত বঙ্গবন্ধু হয়তো সেদিন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী হতে পারতেন, তবে বাংলার মানুষের নেতা হতে পারতেন না।

এরপর আসে ৭ মার্চ ১৯৭১। একজন শ্রেষ্ঠ নেতার সমস্ত গুণাবলীর সমন্বয়ে বঙ্গবন্ধু উঠে আসেন মঞ্চে। উঠে আসেন বাঙালি জাতির বৃহত্তর চিত্রটি অংকনের প্রয়াসে এবং উপহার দেন জাতির আত্মনিয়ন্ত্রণের নীল নকশা। এক বিশাল জনগোষ্ঠীর সামনে তুলে ধরেন বাংলার গত ২৩ বছরের ইতিহাস; ব্যাখ্যা করেন সেদিনের পরিস্থিতি এবং সেই সাথে নির্দেশনা দেন ভবিষ্যৎ কর্মপন্থার। দ্ব্যার্থহীন কণ্ঠে উচ্চারণ করেন বাঙালি জাতির ভিশন – ‘বাংলার মানুষ মুক্তি চায়’। তবে এ মুক্তি শুধু অর্থনৈতিক মুক্তিই নয়, রাজনৈতিক মুক্তিও বটে। তাই ভিশনের পাশাপাশি উচ্চারণ করেন মিশনের বাণী – ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম’। স্বাধীনতার এ স্বপ্ন বঙ্গবন্ধু দেখেছিলেন অনেক পূর্বেই। ষাটের দশকের শুরুতে নিষিদ্ধঘোষিত কমিউনিস্ট পার্টির নেতা মণি সিংহ ও খোকা রায়ের সাথে এক বৈঠকে বঙ্গবন্ধু বলেন, ‘…. গণতন্ত্র-স্বায়ত্তশাসন এসব কিছুই পাঞ্জাবিরা দেবে না। কাজেই স্বাধীনতা ছাড়া বাংলার মুক্তি নেই। …… স্বাধীনতাই আমার চূড়ান্ত লক্ষ্য’। (সাপ্তাহিক একতা, ১৯ আগস্ট ১৯৮৮)। ৫ই ফেব্রুয়ারি ১৯৬২ সনে আশারামবাড়ী হয়ে বঙ্গবন্ধুর আগরতলা যাওয়াও ছিল একই উদ্দেশে আর তা হচ্ছে বাংলাদেশের স্বাধীনতা। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গ্রন্থে উল্লেখ করা হয় ‘... the Awami League supremo Sheikh Mujibur Rahman arrived in Agartala secretly to meet Sachindralal Singha, the chief minister of Tripura, to seek assistance for a possible independence campaign’ (Bhaumik, 2016, p. 13: The Agartala Doctrine, Oxford University press)। পরবর্তী সময়ে এক সাক্ষাতকারে ত্রিপুরার চীফ মিনিস্টার বলেন ‘This (Agartala visit) was no surprise visit, we were expecting him’। সেই সাথে তিনি আরো যোগ করেন, ‘Mujib made it clear that ‘Bengalis could no longer live with honour and hope with Pakistan and therefore he was seeking help for the liberation of his people’ (Bhaumik, 2016, p. 14: The Agartala Doctrine, Oxford University press)। এরপরও যদি কেউ বলে বঙ্গবন্ধু স্বাধীনতা চাননি, তা হবে তাদের ইতিহাস-জ্ঞানের অভাবের সমতুল্য।

৭ মার্চের মঞ্চে বঙ্গবন্ধু একজন conscious competent (নেতৃত্বের এমন এক পর্যায়, যেখানে নেতৃত্ব প্রদানের গুণাবলী চেষ্টা ও সাধনের মাঝে অর্জিত হয়) নেতা থেকে রূপান্তরিত হন একজন unconscious competent (এমন এক পর্যায়, যেখানে নেতৃত্ব প্রদানের গুণাবলী নেতাতে সহজাত ভাবে উদয় হয়) নেতাতে। তাইতো সেদিনের ‘অফ-দি-কাফ’ ভাষণ ছিল বাঙালি জাতির জন্য অত্যন্ত তাপপূর্ণ। আবেগ ও ভালবাসা দিয়ে, সেইসাথে সাহস জুগিয়ে বঙ্গবন্ধু বাংলার মানুষের সাথে এক বিশেষ সম্পর্ক স্থাপন করতে সমর্থ হন। আর এর মাঝে তিনি বাংলার জনগণকে ‘আপনারা’ (‘আজ দুঃখ ও ভারাক্রান্ত মনে ‘আপনাদের’ সামনে উপস্থিত হয়েছি’) থেকে ‘তোমরা’ (‘‘তোমাদের’ উপর আমার অনুরোধ রইলো’) বলে সম্বোধন করার অধিকার অর্জন করেন। আর সমগ্র জনগণ থেকে যে এই অধিকার অর্জন করতে পারেন, সেই তো প্রকৃত নেতা।

৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু অবতীর্ণ হন বহু নেতার গুণাবলীর সমন্বয়ে। কখনো হন গান্ধী – অসহযোগ (‘খাজনা, ট্যাক্স বন্ধ করে দেয়া হল, কেউ দেবে না’) ও অহিংসা (‘তোমরা আমাদের ভাই, তোমরা ব্যারাকে থাক, কেউ তোমাদের কিছু করবে না’) আন্দোলনের ডাকের মাঝে। কখনো হন চাচা হো – সশস্ত্র প্রতিরোধের মাঝে (‘প্রত্যেক ঘরে ঘরে দুর্গ গড়ে তোলো; তোমাদের যা কিছু আছে তাই দিয়ে শত্রুর মোকাবিলা করতে হবে’)। তবে গান্ধী আর বঙ্গবন্ধুর অসহযোগ আন্দোলনের মূল বিষয়ে পার্থক্য অনেক। কলামিস্ট সোহরাব হাসান যথার্থই বলেছেনঃ ‘তার (বঙ্গবন্ধুর) অসহযোগ (আন্দোলন)মহাত্মা গান্ধী বা মার্টিন লুথার কিং’এর মতো নিছক প্রতিবাদ-আন্দোলন ছিল না; ছিল পাকিস্তানি রাষ্ট্র কাঠামো ও শাসনের বিরুদ্ধে একটি সফল ও বিকল্প শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা (প্রথম আলো, ১৫ অগাস্ট ২০১১)।

এটা আজ আর কারো অজানা নয় যে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ সর্বকালের (গত ২৫০০ বছরের) শ্রেষ্ঠ ভাষণের একটি হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে বিশ্বজুড়ে। সম্প্রতি প্রকাশিত We Shall Fight on the Beaches নামের গ্রন্থে সংকলিত হয়েছে এ ভাষণটি। ২০১ পাতা ছাপা এ ভাষণের শিরনাম – The Struggle this Time is the Struggle for Independence। বঙ্গবন্ধুর ভাষণটি স্বাধীনতা সংগ্রামের প্রেরণার উৎস হলেও, শুধুই স্বাধীনতার মাঝে সীমাবদ্ধ নয়; এ ভাষণ জাতির দিক-নির্দেশনার উৎস হয়ে থাকবে যুগ যুগ ধরে। সে কারণেই আজও ঐতিহাসিক ৭ মার্চ ভাষণ পাঠ সকলের অত্যাবশ্যক।

স্বাধীনতার ঘোষণার সময় (টাইমিং) নিয়ে অনেকে মনে করেন বঙ্গবন্ধু আরো অনেক পূর্বেই স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে পারতেন। স্বাধীনতার ঘোষণাতেও বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বের কৌশলগত দিকটি ফুটে উঠে। ঘোষণাটি আসে যুদ্ধের ঘোষণার মাঝেঃ ‘Pak Army suddenly attacked E.P.R. base at Philkhana and Rajarbagh police, killing citizens …..’ যার উল্লেখ আছে রবার্ট পেইনের Massacre গ্রন্থে। বঙ্গবন্ধু এ ডাক দিয়েছিলেন পাকবাহিনীর আক্রমণের পর পর। এটা করা হয়েছিল কৌশলগত কারণে, যাতে বিশ্ববাসী বাঙ্গালির স্বাধিকার সংগ্রামকে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন হিসেবে চিহ্নিত করতে না পারে। আমাদের স্বাধিকার সংগ্রাম কেন বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন হিসেবে চিহ্নিত হতে পারতো তা বোঝার জন্য ১৯৭০-৭১’এ যুক্তরাষ্ট্র আর পাকিস্তানের সম্পর্ক, স্নায়ু-যুদ্ধকালীন আন্তর্জাতিক রাজনীতি এবং বাংলা-পাক-ভারত উপমহাদেশ সম্পর্কিত নিকসন ও কিসিঞ্জারের psyche বোঝা বিশেষ প্রয়োজন। এই পরিসরে বিস্তারিত লেখা সম্ভব নয়, তাই শুধু কয়েকটি বিষয় উল্লেখ করছি। যুক্তরাষ্ট্র আর পাকিস্তানের সম্পর্ক তখন তুঙ্গে। ইয়াহিয়ার মাধ্যমে নিকসন ও কিসিঞ্জার চীনের সাথে সম্পর্ক স্থাপনে ব্যস্ত তখন। তাদের ব্যক্তিগত এবং রাষ্ট্র পর্যায়ে সম্পর্কের পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে গ্যারি ব্যাসের সম্প্রতি (২০১৩ সন) প্রকাশিত গ্রন্থ The Blood Telegraph’এ। নিকসনের পছন্দের মানুষের সংখ্যা ছিল খুব কম। উল্লেখ্য, পছন্দের কয়েকজনের মধ্যে ইয়াহিয়া খান একজন (গ্যারি ব্যাস, ২০১৩, The Blood Telegraph, p. 7)। সেই সময়ের জিও- পলিটিকাল প্রেক্ষাপটে চীনের সাথে সম্পর্ক গড়াই ছিল নিকসন ও কিসিঞ্জারের প্রধান লক্ষ্য। পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিদের কি হবে বা হতে পারে ইয়াহিয়ার বর্বর শাসনে, তাতে তাদের কোন মাথাব্যথা ছিল না। কিসিঞ্জার বলে - ““No one has [yet] understood what we did in India-Pakistan and how it saved the China option which we need for the bloody Russians. Why would we give a damn about Bangladesh? উত্তরে নিকসন বলে – ‘We don't’(গ্যারি ব্যাস, ২০১৩, The Blood Telegraph, p. ৩৪২)। শুধু তাই নয়, যে কোন পরিস্থিতিতে পাকিস্তানের সংহতি রক্ষার ক্ষেত্রে নিকসন ছিল বদ্ধপরিকর। অন্যদিকে, আওয়ামী লীগ ও বাঙালি সম্পর্কে তাদের ধারণা ছিল সম্পূর্ণ উল্টো। যুক্তরাষ্ট্রের ষ্টেট ডিপার্টমেন্টের বারবার ব্যাখা দেওয়া সত্যেও কিসিঞ্জারের ধারণা ছিল আওয়ামী লীগ ও বাঙালি রাজনৈতিকভাবে বাম (কিসিঞ্জার বলে - ““Mr President, ... the Bengalis... are by nature left’ (গ্যারি ব্যাস, ২০১৩, The Blood Telegraph, p. 87)। নিকসন প্রশাসনের এই ধরণের মন-মানসিকতার প্রেক্ষাপটে বঙ্গবন্ধুর যে কোন একটি ভুল টার্ন আমাদের স্বাধিকার আন্দোলনকে বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলন হিসেবে চিহ্নিত করে নস্যাৎ করে দিতে পারতো যুক্তরাষ্ট্রে, চীন সহ বেশ কিছু রাষ্ট্র। যে কারণে নস্যাৎ হয়েছে আয়ারলন্ডের IRA আন্দোলন, স্পেনের Basque Country আন্দোলন, এবং তামিল টাইগারদের স্বাধিকার আন্দোলন।

আমার রাজনৈতিক পর্যালোচনায়, বাকশাল (বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক আওয়ামী লীগ) প্রতিষ্ঠা বঙ্গবন্ধুর সর্বশেষ ভিশনারী পদক্ষেপ। সারা জীবন যে মানুষটি ওয়েষ্টমিন্সটার স্টাইলের গণতন্ত্রে বিশ্বাসী ছিল, সে কি কারণে বাকশাল পদ্ধতি প্রণয়ন করেন? আমরা কি একবারও ভেবে দেখেছি? কোন রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপটি নেয়া হয়? এটা আমাদের এবং বিশেষ করে আমাদের প্রজন্মের জানা ও বোঝার বিশেষ প্রয়োজন।



পরের অংশ






Share on Facebook                         Home Page



                            Published on: 14-Aug-2017