bangla-sydney
bangla-sydney.com
News and views of Bangladeshi community in Sydney












এই লিংক থেকে SolaimanLipi ডাউনলোড করে নিন



‘আমরাও পারি’ এবং ব্রেইন-গেইনেও পারবো
অধ্যাপক শামস্ রহমান



মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার কাছে লেখা এ চিঠি হতে পারতো শিক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগের একটি আবেদন পত্র। দেশে এবং বিশেষ করে বিদেশে উচ্চ শিক্ষা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাথে সম্পৃক্ত থেকে সে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছি বিগত পঁচিশ বছরে। তবে এ চিঠি সে ধরনের কোন আবেদন পত্র নয়। এ চিঠি হতে পারতো বাংলাদেশে কোন প্রযুক্তি কিংবা কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয়ের উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক পদের জন্য একটি আবেদন পত্র। সে অভিজ্ঞতাও আছে বলে আমার বিশ্বাস। তবে, এ চিঠি তাও নয়। গত নয়-দশ বছরে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেশ সেবা কালীন সময়ে আপনি বাংলাদেশ এবং বাংলাদেশের মানুষকে কি দিয়েছেন সেটাই তুলে ধরা এ চিঠির মূল বিষয়। সেই সাথে আমরা যারা প্রবাসী তারা দেশে কাজের সাথে কিভাবে সম্পৃক্ত হতে পারি তারই একটা সংক্ষিপ্ত বিশ্লেষণ আছে এ চিঠিতে।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আজ আর কারও সন্দেহ নেই যে, আপনার দৃঢ়চেতা ও সাহসী নেতৃত্বে গত প্রায় দশ বছরে ব্যাপক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে। বিশেষ করে রাষ্ট্র-সেবা প্রদানের গত পাঁচ বছরকে বর্ণনা করা যায় উন্নয়ন, অগ্রগতি, অর্জন আর সাফল্যের ধারাবাহিকতার সময় হিসেবে।

এ সময়ে দেশ অবকাঠামোসহ আর্থ-সামাজিক প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে, আশাতীত সাফল্য অর্জন করেছে। গত নয় বছরে মাথাপিছু আয়, রিজার্ভ, রেমিটেন্স সহ বিভিন্ন সূচকে উন্নতি হয়েছে। এই সময়ে মাথাপিছু আয় দ্বিগুণ হয়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় এক হাজার ছয় শত মার্কিন ডলারে, যা কি না পাকিস্তানের মাথাপিছু আয়ের চেয়ে বেশী। ২০০৯ সালে রিজার্ভ ছিল মাত্র ৫ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি যা আজ উঠে এসেছে ৩৩ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। এর মানে, পূর্বে যেখানে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দিয়ে তিন মাসের আমদানি ব্যয় মেটাতে দেশ হিমশিম খেত, আজ প্রায় আট মাসের আমদানি ব্যয় পরিশোধের জন্য পর্যাপ্ত। মাত্র কয়েক বছর আগেও বাংলাদেশের জিডিপি’র আকার ছিল একশত বিলিয়ন ডলারের নীচে, আজ তা ছাড়িয়ে গেছে দু’শত পঞ্চাশ বিলিয়ন ডলার। আর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫.৫৭ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭.২৮ শতাংশে (সূত্র: The Economist, 7 Sept, 2017)। এক সময়ের ‘তলাহীন ঝুড়ি’র অপবাদ পাওয়া বাংলাদেশ, আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। এ সবই সম্ভব হয়েছে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার বিচক্ষণ আর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে। এই সাফল্যের সাথে সাথে জাতির জন্য এসেছে বহু আন্তর্জাতিক পুরষ্কার ও প্রশংসা।

তবে প্রশ্ন হচ্ছে, এ উন্নয়ন কি শুধুই physical অর্থে? প্রকৃতপক্ষে, physical অর্থের পাশাপাশি উন্নয়নের একটি psychological বা মনস্তাত্ত্বিক দিক থাকে, যার মাধ্যমে একটি জাতির মাঝে জন্ম নেয় “confidence” বা আত্মবিশ্বাস। যার সহজ মানে – “হাঁ, আমরাও পারি”। ধীরে ধীরে পদ্মার ওপর দাঁড়িয়ে যাচ্ছে দীর্ঘ সেতু – এটা physical, যা hard বা tangible, দৃশ্যমান। পাশাপাশি অন্যদিকটি psychologica, soft বা intangible - দেখি না, যা জাতির কাছে ধরা দেয় শুধুই অনুভবে। তাই নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণের অপর নাম – আত্মবিশ্বাসঃ “হাঁ, আমরাও পারি”।

ইতিমধ্যে দেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে স্বীকৃতির জন্য প্রয়োজনীয় তিনটি শর্ত যথা, আয়, মানব সম্পদ সূচক ও অর্থনৈতিক ঝুঁকি সূচক পূরণ করতে সক্ষম হয়েছে যা অর্জনে প্রয়োজন ছিল রাজনৈতিক ধারাবাহিকতার। তাই স্বল্প সময়ে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে ওঠার অপর নাম - আত্মবিশ্বাসঃ “আমরাও পারি”। উন্নত বিশ্ব যেখানে কয়েক হাজার শরণার্থীকে আশ্রয় দিতে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে ভোগে কিংবা রাজনৈতিক ছল-চাতুরীর আশ্রয় নেয়, সেখানে, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনার সরকার লক্ষ লক্ষ রোহিঙ্গা উদ্বাস্তুকে আশ্রয় দিয়েছে, মানবিক দৃষ্টিকোণের বিচারে যা এক অসাধারণ দৃষ্টান্ত। তাই বাস্তুচ্যুত ১০ লক্ষাধিক রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেওয়ার জন্য শুধু ‘মাদার অফ হিউম্যানিটি কিংবা ‘নিউ স্টার অফ দি ইস্ট’ উপাধি পাওয়াই নয়, এর অপর নাম আত্মবিশ্বাসঃ “আমরা পারি”। জাতির জনকের হত্যার বিচার এবং অপরাধীদের শাস্তি প্রদান করার অপর নাম আত্মবিশ্বাসঃ “হাঁ, আমরাও পারি”। ১৯৭৫’এর পর স্বাধীনতা বিরোধী এবং যুদ্ধাপরাধী চক্র যেভাবে রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হয়ে উঠেছিল, তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর বিষয়টি ছিল অকল্পনীয়। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আপনি সেই অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। তাই স্বাধীনতা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানোর অপর নাম - আত্মবিশ্বাসঃ “হাঁ, আমরাও পারি”। দীর্ঘদিন জাতি আত্মবিশ্বাসহীনতায় ভুগেছে। আপনার আপোষহীন নেতৃত্বে “হাঁ, আমরাও পারি” এই আত্মবিশ্বাসে আপনি বিশ্বাসী করে তুলেছেন বাংলাদেশের জনগণকে। বাঙালি জাতির জন্য এটাই আপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

অতীতে আরও একবার ‘আত্মবিশ্বাসে’ জেগে উঠেছিল বাংলার মানুষ। সেটা ছিল ১৯৭০-৭১’এ। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান “জয় বাংলা’য়” জনগণের মাঝে জাগিয়েছিল আত্মবিশ্বাস। যে আত্মবিশ্বাসে জন্মেছিল আত্মনিয়ন্ত্রণের শক্তি। যার মাঝে অর্জিত হয়েছে বাংলাদেশের রাজনৈতিক স্বাধীনতা। আপনার জাগানো আত্মবিশ্বাস: “আমরা পারি”তে ধাপে ধাপে আমরা অর্জন করে চলেছি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। দেশ গড়ার এই আত্মবিশ্বাসের সাথে আমরা প্রবাসী বাংলাদেশীরাও চাই সম্পৃক্ত হতে।

আজ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অভিবাসী বা প্রবাসী হয়ে বসবাস করছে প্রায় ১০ মিলিয়ন বাংলাদেশী। সে তুলনায় আমরা যারা অস্ট্রেলিয়ায়, তাদের সংখ্যা অত্যন্ত নগণ্য – মাত্র ৬০ থেকে ৬৫ হাজার। তবে আমরা দক্ষ। বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আইনবিদ, অর্থনীতিবিদ, কৃষিবিদ, শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের একাডেমিক, ব্যবস্থাপনা এবং IT বিশেষজ্ঞ, সেবা প্রদানকারী এবং সফল ব্যবসায়ী।

মাত্র ১৮ বছর বয়সে যখন প্রথম বিদেশে যাই, সেই ৭০ দশককে, তখন ‘Brain-Drain’ ধারণার সাথে আমার পরিচয় হয়। আমি নিজেও তখন ভেবেছি - পড়ালেখা শেষে দেশের ছেলে ফিরে যাবে দেশে। তা না হলে দেশের ক্ষতি, সম্পদের অপচয়। তারপর এক সাগর জল বয়ে গেছে পদ্মা-যমুনায়- আমি নিজেও একদিন পাড়ি জমিয়েছি অস্ট্রেলিয়ায় এবং আমার মত আরও ৬০ - ৬৫ হাজার বাংলাদেশী। নিঃসন্দেহে এটা ‘Brain-Drain’। তবে, আজকে আমাদের প্রশ্ন – কিভাবে এই ‘Brain-Drain’কে ‘Brain-Gain’এ রূপান্তরিত করা যায়।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সমসাময়িক বিশ্বের প্রেক্ষাপটে ‘Brain-Drain’ ও ‘Brain-Gain’কে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের আমদানি-রফতানি’র পর্যায়ে বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন বলে আমার বিশ্বাস। দুটো ধারণাকেই পজিটিভ দৃষ্টি ভঙ্গি থেকে দেখা অত্যাবশ্যক। Brain-Drain’কে ভাবা যায় যে কোন দ্রব্যের রফতানির ধারনায়। উল্লেখ্য, বর্তমানে বাংলাদেশের মানব সম্পদ রফতানির প্রায় ৬০ শতাংশ হয় আধা-দক্ষ কিংবা অদক্ষ শ্রেণীভুক্ত (Asian Development Bank, 2016)। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারিগরি ও সেবা মূলক প্রতিষ্ঠানের জন্য শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে লাগসই দক্ষ এবং প্রফেশনাল কারিগর ও সেবা প্রদানকারী তৈরি করে আমাদের চলমান মানব সম্পদ রফতানি প্রক্রিয়াকে আরও জোরদার করা সম্ভব। এর মাঝে একদিকে মানব সম্পদ রফতানি যেমন বাড়ানো সম্ভব, তেমনি সম্ভব কার্যক্ষেত্রে ‘হাই-ভ্যালু-এড্‌’ করা। ফলে, রেমিটেন্সের বর্তমান পরিমাণ ১৪ বিলিয়ন থেকে অদূর ভবিষ্যতে দিগুণে বাড়ানো মোটেই অসম্ভব নয়।

একই ভাবে ‘Brain-Gain’কে আমদানির ধারণায় বিবেচনায় নেওয়া প্রয়োজন। দীর্ঘ দিন যাবত বাংলাদেশী প্রবাসী যারা বিভিন্ন বিষয়ে দক্ষ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কার্যরত, তাদের খন্ডকালীন কিংবা দীর্ঘ কালীন সময়ের জন্য দেশে এনে বা আসার সুযোগ সৃষ্টি করে কাজে লাগানোই ‘Brain-Gain’এর ধারণা। নব্বই দশকের গোঁড়ার দিকে রাজীব গান্ধী ভারতের অর্থনীতির দরজা খুলে দেয়। ভারত উন্মুক্ত বাজারের অংশ হয়। ক্রমে আমেরিকায় কার্যরত অনেক ভারতীয় আবার দেশে ফিরে আসে পাকাপোক্ত হয়ে। ব্যাঙ্গালোরের সিলিকন ভ্যালীতে যারা আজ জড়িত, তাদের বেশীর ভাগই একসময় প্রবাসে বহুজাতিক কোম্পানিতে জড়িত ছিল বিভিন্ন পদে। এটাই ‘Brain-gain’। ব্যাঙ্গালোরের সিলিকন ভ্যালী একটি উদাহরণ মাত্র। ‘Brain-gain’এর এ প্রক্রিয়া ঘটেছে ভারতে আরও বহু শিল্পে। একই ব্যাপার ঘটেছে চীনের ক্ষেত্রেও। আশির দশকে শুরু থেকে যে ‘Brain-drain’ হয়েছে, তা কমানো এবং ‘Brain-Drain’কে ‘Brain-gain’এ রূপান্তরের মাধ্যমে চীনও পেয়েছে বড় সাফল্য।

আমরা প্রবাসীরা প্রতিবছরই দেশে বেড়াতে গিয়ে অনেকেই নিজের মত করে নিজ নিজ ক্ষেত্রে কন্ট্রিবিউট করার প্রয়াস চালাই। তবে তা নিতান্তই পিস্-মেল প্রকৃতির। দেশের জন্য Brain-Gain’নের প্রচেষ্টায় এটা একটি বড় অন্তরায় বা চ্যালেঞ্জ। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, সংগঠিত ভাবে সরকার ভাবতে পারে কি এ ব্যাপারে? কোন স্ট্রাটেজিক সিদ্ধান্ত নেওয়া যেতে পারে কি Brain-Gain ধারণাকে আওতায় নিয়ে? এ ধারণার সঠিক বাস্তবায়নে স্বল্প ব্যয়ে জাতি পেতে পারে দক্ষ বিশেষজ্ঞদের সেবা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এ বিষয়ে আপনার পজিটিভ সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আমরা প্রবাসী বাংলাদেশী।

আমার জানা মতে, বঙ্গবন্ধু যখন পাকিস্তানের কারাগার থেকে দেশে ফেরার পথে লন্ডনে পৌঁছান, তখন তিনি বিলাতে অবস্থিত বাঙালি ডাক্তারদের উদ্দেশে বলেছিলেন, দেশে ফিরে দেশ গড়ার কাজে অংশ নিতে। আজকের “Brain-Gain” ধারণা সেদিনের সেই ধারাবাহিকতারই অংশ। শীঘ্রই আমরা আপনার ভিশন 2021’এর মাঝে উন্নয়নশীল দেশের কাতারে দাঁড়াবো। ভিশন 2041 বাস্তবায়নের লক্ষে প্রয়োজন অভ্যন্তরীণ এবং বহি:স্থ উভয় সম্পদের সংযোজন। ‘Brain-Gain’ সামগ্রিক বহি:স্থ সম্পদের এক আন-ট্যাপ্ট সম্পদ।

মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, এ লক্ষে আমি প্রস্তাব করছি, অস্ট্রেলিয়াসহ উন্নত বিশ্বে অবস্থানরত বিভিন্ন ক্ষেত্রে যেমন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি, প্রযুক্তি, কৃষিসহ বিভিন্ন বিষয়ক বিশেষজ্ঞদের নিয়ে একটি Global Network of Bangladeshi Experts (সংক্ষেপে GNOBEX) গঠন করার। বিশেষজ্ঞদের ডেটা-বেস এবং বিশেষজ্ঞ-টিম তৈরিতে বিভিন্ন দেশে অবস্থিত বাংলাদেশের মিশন সমন্বয়কারীর ভূমিকা নিতে পারে। বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং মেগা প্রজেক্টের সাথে এই বিশেষজ্ঞরা টিম-বেসিসে অংশ নিতে পারে। বিশেষজ্ঞদের দ্বারা গঠিত এ জাতীয় টিম উন্নত দেশের দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতার মাধ্যমে hard এবং soft উভয়ই ধরণের skill’ই অতি অল্প সময়ে আমাদের অর্থনীতিতে বিকীর্ণ করা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের দেশের প্রতি মমত্ববোধের কারণে তাদের প্রচেষ্টায় ‘মাল্টিপ্লায়ার এফেক্ট’ পরিলক্ষিত হওয়ার সম্ভাবনা অত্যধিক। ‘Brain-Gain’এর প্রচেষ্টায় ভারত এবং চীন লাভবান হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। আমাদের বিশ্বাসঃ “আমরাও পারবো”।

__________________________________________________________________________
গত ২৮’শে এপ্রিল ২০১৮ সোফিটেল সিডনি ওয়েন্টওয়ার্থ হোটেলে অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেওয়া ‘গণ-সংবর্ধনা’য় লেখকের দেওয়া বক্তৃতার অংশ।
__________________________________________________________________________



অধ্যাপক শামস্ রহমান, মেলবোর্ন, অস্ট্রেলিয়া



Share on Facebook                         Home Page



                            Published on: 18-Jul-2018