bangla-sydney
bangla-sydney.com
News and views of Bangladeshi community in Sydney












এই লিংক থেকে SolaimanLipi ডাউনলোড করে নিন



“মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড”
বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ৭ ই মার্চের ভাষণ

রতন কুন্ডু



স্কুলে আমাদের একটি নিবন্ধ পাঠ্য ছিল তা হল আব্রহাম লিংকনের “দ্য গ্যটিসর্বাগ এড্রেস”। ঐ নিবন্ধে আমেরিকায় শোষিত, বঞ্চিত, অনগ্রসর জাতিগোষ্ঠী ও ক্রীতদাসদের প্রতিভূ আব্রাহাম লিংকনের দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনের প্রতিফলন ঘটেছে একটি ভাষণের মাধ্যমে। রিপাবলিকান ইউনিয়ন আয়োজিত গ্যটিসবার্গের বিশাল সমাবেশে তিনি ভাষণ দিয়েছিলেন। যে ভাষণের মধ্যে তার জাতীয়তাবাদ, গণপ্রজাতন্ত্রবাদ, সম-অধিকার, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের এক সু-গ্রন্থিত রূপরেখা ছিল। সেই ভাষণটি বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ভাষণ হিসেবে খ্যাতি লাভ করেছিল। এবং ওয়ার্ল্ড আর্কাইভে স্থান করে নিতে সক্ষম হয়েছে।

আমরা সবাই কথা বলি। একই শব্দমালা কবির মুখে আবৃত্তি, কণ্ঠশিল্পীর মুখে সংগীত মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে আযান, রেগে যাওয়া মানুষের মুখে ঝগড়া, পুরোহিতের মুখে মন্ত্র, মায়ের মুখে গল্প ও ঘুম পাড়ানী গান আর রাজনৈতিক নেতার মুখে ভাষণ। সব কথা সম অধিকার, সম ভালোলাগা, সম সম্মোহনী শক্তি নিয়ে আসেনা। যে কবিতা, যে কথা, যে গান সর্বাধিক লোককে আপ্লুত করে এবং করতেই থাকে তা একদিন কালজয়ী হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমানের ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চের ভাষণও তেমনি একটি কালজয়ী কবিতা। যে অলিখিত কবিতা সারা জাতিকে একত্রিত করেছে, স্বাধীনতাকে অনুপ্রাণিত করেছে ও স্বাধীনতা আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পরতে উদ্বুদ্ধ করেছে।

আব্রাহাম লিংকন, ভ্লাদিমির লেনিন, কমরেড চে’গুয়েভায়া, থিওডোর রুজভেল্ট, উইনষ্টন চার্চিল, জন কেনেডি, ডেমন্থিনিস, আলেক্সান্ডার দি গ্রেট সহ অন্যান্য বিশ্ববরেণ্যে অনেক ব্যক্তিবর্গ তাদের ভাষণের জন্য অমর হয়ে আছেন। কিন্তু তাদের ও বঙ্গবন্ধুর ভাষণের মধ্যে এক বিরাট পার্থক্য রয়েছে। তাদের ভাষণগুলো ছিল লিখিত আর বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ ছিল অলিখিত। তার দীর্ঘ সংগ্রামী জীবনে তিলে তিলে সঞ্চিত কথামালা মনের গভীরে মালা গেঁথে রেখেছিলো ৭ই মার্চে যার বহি:প্রকাশ ঘটেছে। তার এই অলিখিত ভাষণের মধ্যে একটি জাতীর জাতীয়তাবাদ, গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, ধর্ম নিরপেক্ষতা, স্বাধীনতা আন্দোলন, গন-মুক্তি ও আলাদা জাতিসত্তার উন্মেষ ঘটেছিল।



ইউনেস্কো ২০১৭ সালের নভেম্বর মাসে বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণটিকে “মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড” এর স্বীকৃতি দিয়েছে। এ যাবৎ স্বীকৃতি প্রাপ্ত ইউনেস্কোর ৪২৭ টি দলিলের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণটি একমাত্র অলিখিত ভাষণ হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছে। তাঁর ভাষণের এ বিশ্বায়নে বাঙালী জাতি হিসেবে আমাদের মর্যাদা বিশ্বের দরবারে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। আর সেজন্য আমরা দল-মত নির্বিশেষে সব বাঙালিরাই গর্বিত। ইউনেস্কো তার ওয়েব পেজে বঙ্গবন্ধুর ৭ই মার্চের ভাষণ সম্পর্কে যে প্যারাটি সংযোজন করেছে। তা নিম্নরূপ:

“The speech effectively declared the independence of Bangladesh. The speech constitutes a faithful documentation of how the failure of post-colonial nation states to develop inclusive democratic society alienates their population belonging to different ethnic, cultural, linguistic or religious group. The speech was extempore and there was no written script”.

উল্লেখিত মন্তব্যের মধ্যে যে চারটি শব্দ এসেছে তা হল: Democratic, Post-Colonial, alienates their population belonging Ges to different ethnic.... এই শব্দগুলোর মাধ্যমেই আমাদের সংবিধানের ৪ টি মূলনীতির গণতন্ত্র, সমাজতন্ত্র, জাতীয়তাবাদ ও ধর্ম নিরপেক্ষতা বিশ্লেষিত হয়েছে।

ব্রিটিশ ভারতে কোম্পানি শাসনামলে কোন বড় ধরনের জাতীয়তাবাদী আন্দোলন দানা বেঁধে উঠতে না পারলেও কোম্পানি শাসনের অবসানে যখন ব্রিটিশ শাসন পাকাপোক্ত হয় এই উপমহাদেশে তখনই শুরু হয় প্রচণ্ড জাতীয়তাবাদী আন্দোলন। বলা বাহুল্য তখন ভারত ছিল অবিভক্ত। বর্তমান ভারত, পাকিস্তান ও বাংলাদেশ এই উপমহাদেশের অন্তর্ভুক্ত ছিল। ব্রিটিশ বিতারনের জন্য প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আগে থেকেই বিভিন্ন জাতীয়তাবাদী গ্রুপ আলাদা আলাদা ভাবে আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয় কংগ্রেসের নেতৃত্বে জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এর মধ্যে নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোশের নেতৃত্বে ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল আর্মি সশস্ত্র বিপ্লবের ডাক দেয় ও সরাসরি যুদ্ধে লিপ্ত হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরে এই আন্দোলন সারা উপমহাদেশের ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পরে। এই আন্দোলন হয় স্বদেশী আন্দোলন। ১৯১৫ সালে মাওলানা মোহম্মদ আলী ও শওকত আলী খেলাফত আন্দোলনের ডাক দেয়। মাওলানা আবুল কালাম আজাদ খেলাফত আন্দোলনের নেতৃত্বে এসে মহাত্মা গান্ধীর স্বদেশী আন্দোলনের সাথে একাত্মতা ঘোষণা করলে আন্দোলন তুঙ্গে ওঠে যায়।

উনিশ শতকের প্রথম দিকেই আরেকটি জাতীয়তাদের উত্থান হয় এই উপমহাদেশে। তার নাম হল ইসলামী জাতীয়তাবাদ। ব্রিটিশ ও হিন্দুদের কাছে নিপীড়িত মুসলিম নেতারা নিখিল ভারত কংগ্রেস থেকে বেড়িয়ে অল ইন্ডিয়া মুসলিম লীগ গঠন করে মোহম্মদ আলীর নেতৃত্বে। ১৯১৩ সালে আল্লামা ইকবাল কংগ্রেস ও মুসলিম লীগকে একত্রিত করে যৌথভাবে আন্দোলন পরিচালনার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করেন। কিন্তু ভেতরে ভেতরে ইসলামী জাতীয়তাবাদ তখন তৃণমূল পর্যায় পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়ে এবং ফলশ্রুতিতে জিন্নাহ সাহেব হিন্দু ও মুসলমানদের দুইটি জাতি হিসেবে চিহ্নিত করে দ্বিজাতিতত্ত্বের জন্ম দেন। এটি উগ্র ধর্মীয় জাতীয়তাবাদে রূপান্তরিত হয় দেশ স্বাধীন হওয়ার পূর্ব মূহুর্তে। তাদের মুখে একটিই স্লোগান, একটিই দাবী- মুসলিমের জন্য আলাদা আবাসভূমি চাই। যদি ব্রিটিশরা আলাদা করে না দেয় তাইলে লড়াই করে আমরা সে দেশ তৈরি করব - “লড়কে লেংগে পাকিস্তান”।

তখন পাকিস্তানের নামকরণ হয়েছিল ইসলাম অধ্যুষিত প্রদেশগুলোর আদ্যক্ষর ও শেষে ‘তান’ যোগ করে। P তে পাঞ্জাব, A তে আফগানিস্তান, K তে কাশ্মীর, I তে ইনডাস ভ্যালি, S এ সিন্ধ ও বেলুচিস্তানের তান। নামকরণের সাথে একটি পাক অর্থাৎ পবিত্র ভাবটিও চলে আসে। সর্ব সম্মতিক্রমে নামটি গৃহীত হয়। তবে এই নামকরণের মধ্যে কিন্তু তৎকালীন পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য (বর্তমান বাংলাদেশ) অন্তর্ভুক্ত ছিল না।

১৯৪৭ সালের ১৪ ই আগস্ট পাকিস্তান ও ১৫ ই আগস্ট ইন্ডিয়া স্বাধীনতা লাভ করে। এই দুইশ বছরে উপমহাদেশ পশ্চিমা আধিপত্যবাদ (ব্রিটিশ, পর্তুগিজ, স্প্যানিশ ইত্যাদি), ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ পার করে কমনত্তয়েলথ ভুক্ত দেশ হিসেবে এই উপমহাদেশ একটি নব্য উপনিবেশে পরিণত হয়েছিল। নব্য উপনিবেশে নব্য রাষ্ট্র নায়কেরা পাকিস্তানে নিজেদের আধিপত্য বিস্তারের জন্য নব্য আধিপত্যবাদের জন্ম দেয়। পূর্ব-পশ্চিম বিভাজন করে পশ্চিমা শাসক গোষ্ঠী পূর্ব পাকিস্তানের জনগণকে সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাষ্ট্রীয়ভাবে শাসন ও শোষণ করা শুরু করে। এটি ছিল মূলত: আঞ্চলিকতাবাদ। রাষ্ট্রক্ষমতা ও সেনাবাহিনীতে পশ্চিমাদের আধিক্য তাদের কুলীন হিসেবে চিহ্নিত করে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের দরিদ্র জনগণের উপর ষ্টীম রোলার চালাতে শুরু করে। তারা বাঙ্গালীদের তুচ্ছ করে গালি দিত। পূর্ব পাকিস্তানে দ্রব্যমূল্য পশ্চিম পাকিস্তানের তুলনায় তিন গুনের বেশি, মুদ্রা তৈরি সহ উল্লেখযোগ্য কল কারখানা সব পশ্চিম পাকিস্তানে, শিক্ষা-বৃত্তি পূর্ব পাকিস্তানে মাত্র ১০ শতাংশ, সরকারের গুরুত্বপূর্ণ ক্যাডার যেমন প্রশাসন, কাস্টমস, পুলিশ, ইনকাম ট্যাক্স, পররাষ্ট্র ও মিলিটারিতে বাঙালিদের নিয়োগ দেয়া হতনা বা খুব কম দেওয়া হত। আমার মনে আছে যে তৃতীয় শ্রেণীতে অধ্যয়ন কালে সাদা কাগজের দিস্তা তিন আনা করে কিনতাম কিন্তু পশ্চিম পাকিস্তানে তার মূল্য ছিল এক আনা। এটি একটি উদাহরণ মাত্র। এরকম বৈষম্য সর্বক্ষেত্রেই ছিল। এর মধ্যে হল মাতৃভাষার উপর আক্রমণ। ভারত যেমনি হিন্দিকে রাষ্ট্র-ভাষা করেছে তেমনি তারা উর্দুকে রাষ্ট্র-ভাষা করার প্রস্তাব আইন সভায় পাশ করে ও তা বাঙালিদের উপর চাপিয়ে দেয়ার চেষ্টা করে। জিন্নাহ সাহেব, খাজা নাজিম উদ্দিন ঢাকার কার্জন হলে সেই ঘোষণা দিলে সবাই বিক্ষোভে ফেটে পরে। সে বিক্ষোভে তারা কিছু বিকল্প প্রস্তাব নিয়ে আসে। ঠিক আছে তোমরা বাংলায় কথা বল কিন্তু লিখতে হবে আরবি হরফে। কারণ আরবি হল আল্লাহ প্রদত্ত ভাষা। পাকিস্তান আফগানিস্তান সহ অনেক দেশ তাদের প্রচলিত বর্ণমালা বিসর্জন দিয়ে আরবিতে লিখা শুরু করল। প্রসঙ্গত: উল্লেখ্য হিন্দি ও উর্দু কথ্য ভাষা হুবহু এক ও অভিন্ন কিন্তু লিখিত রূপ আলাদা।

কার্জন হলের সেই ঘোষণায় অলি আহাদ সহ একঝাক টগবগে তরুণ নো নো বলে চিৎকার করে ওঠে। তমদ্দুন মজলিস ও সম্মিলিত ছাত্র-জোটের ব্যানারে ভাষা আন্দোলন দানা বেঁধে ওঠে এবং রাজপথ উত্তাল হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা কারফিউ ভঙ্গ করে রাজপথে নেমে আসে। “রাষ্ট্র-ভাষা বাংলা চাই”। পুলিশের রাইফেল গর্জে ওঠে। সদ্য স্বাধীন পাকিস্তানের রাজপথ ভেসে যায় সালাম, রফিক, জব্বার ও বরকতের বুকের রক্তে। ঐ দিনই উন্মেষ ঘটে আরেকটি জাতীয়তাবাদ তা হল বাঙালি জাতীয়তাবাদ। এই বাঙালি জাতীয়তাবাদের রূপকার ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আন্দোলন করতে গিয়ে কারান্তরীন হলেও জেলে বসেই তিনি নির্দেশ দিতে থাকেন। ভাষা সৈনিক গাজীউল হকের সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে জানতে পারি ভাষা আন্দোলনে শেখ মুজিবের ভূমিকা। তিনি তার বই “আমার দেখা আমার লেখা” তে বিস্তারিত বর্ণনা করে গেছেন। আরও শুনেছি ভাষা সৈনিক একুশের শোক সংগীত “আমার ভাই এর রক্তে রাঙানো” গানের রচয়িতা গাফফার চৌধুরী সাহেবের মুখে। এই বাঙালি জাতিসত্তার আলোকে বাঙালি জাতীয়তাবাদের উন্মেষ পশ্চিমাদের নব্য উপনিবেশবাদকে ভেঙে খানখান করে দেয়।

এর পরের ইতিহাস কমবেশি আমরা সবাই জানি। কিভাবে মাওলানা ভাষনী ফজলুল হক, সোহরাত্তর্য়াদী ও শেখ মুজিব মুসলিম লীগ ভেঙে আওয়ামী মুসলিম লীগ ও পরবর্তীতে আওয়ামী লীগের নাম করা হয় ১৯৪৯ সালে। এরপর তিনি শুরু করেন পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধিকার আন্দোলন। আন্দোলনকে তিনি ধীরে ধীরে একটি পরিণতির দিকে নিয়ে যাওয়ার জন্য নিরলস কাজ করতে থাকেন। ফলশ্রুতিতে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা সহ বিভিন্ন মামলায় অনেকবার তাঁকে কারান্তরীন করা হয়। ঐতিহাসিক ৬ দফা পাকিস্তান সরকারের স্বপ্ন-সৌধ ভেঙে চুরমার করে দেয়। হয় উনসত্তরের গণ অভ্যুত্থান। নির্বাচনে বঙ্গবন্ধু নেতৃত্বে আত্তয়ামী লীগ সমগ্র পাকিস্তান নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা (Absolute majority) লাভ করে। ১৯৭০ সালের ৭ই ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে ৩০০ টি আসনের মধ্যে আত্তয়ামী লীগ ১৬০ টি আসনে, ভুট্টো’র পিপলস পার্টি ৮১ টি আসনে ও মুসলিম লীগের দুই অংশ, জামায়তে ইসলামী, জামায়তে উলেমা হিন্দ, জামায়াতে উলেমায়ে পাকিস্তান মিলে বাকী ৫৯ টি আসন লাভ করে। আত্তয়ামী লীগ নির্বাচনে জিতলে কি হবে। পশ্চিমারা শেখ মুজিবকে সরকার গঠনে আমন্ত্রণ না জানিয়ে গোলটেবিল বৈঠকের প্রস্তাব দিলে বঙ্গবন্ধু তা প্রত্যাখ্যান করেন। পশ্চিমাদের ষড়যন্ত্র বুঝতে পেরে দল মত নির্বিশেষে আবহমান বাঙালি শেখ মুজিবের একটি ঘোষণা প্রতীক্ষা করতে থাকে। অবশেষে ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ আসে সেই মাহেন্দ্রক্ষণ যেখানে তিনি দ্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন “এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম”।



রতন কুন্ডু, সিডনি




Share on Facebook                         Home Page



                            Published on: 6-Jan-2018