bangla-sydney
bangla-sydney.com
News and views of Bangladeshi community in Sydney













স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহঃ
ব্যবহারিক বিজ্ঞানের নতুন দিগন্ত
রফিক হক



১২ মে, ২০১৮, বাংলাদেশে সবাই সেদিন রাত জেগে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছিল একটা বিশেষ ঘটনা প্রত্যক্ষ করার জন্য। অবশেষে এলো সেই মাহেন্দ্রক্ষণ, ০২-১৪ মিনিটে স্পেসএক্স এর ফ্যালকন-৯ রকেট থেকে পৃথক হয়ে বাংলাদেশের প্রথম কমিউনিকেশন এবং ব্রডকাস্টিং স্যাটেলাইট (Satellite) পৃথিবীর কক্ষপথ পরিক্রমায় ধীরে ধীরে মিলিয়ে গেল মহাশূন্যে। শুরু হল বাঙ্গালী জাতির নতুন ইতিহাস, শুধু ভূপৃষ্ঠে নয় মহাশূন্যেও বাংলাদেশের পতাকার লাল-সবুজ রং আর জাতীর জনক বঙ্গবন্ধুর নাম ছড়িয়ে দিতে লঞ্চ হলো বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট।

বাঙ্গালী জাতীর জন্য স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম-উপগ্রহ একটা নতুন শব্দ, এক নতুন বিস্ময়। কিন্তু বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় স্যাটেলাইট ব্যবহার আজ আর নতুন কিছু নয়। ১৯৫৭ সালে তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়ন কর্তৃক উৎক্ষেপিত স্যাটেলাইট ‘স্পুটনিক-১’ (Sputnik-1) দিয়ে শুরু করে পৃথিবীর কক্ষপথে আজ বিভিন্ন দেশ এবং প্রতিষ্ঠানের ২৬৬৬টি স্যাটেলাইট পরিক্রমণ করছে (UCS 2020)। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের একারই ২৩৫৭ টি, অস্ট্রেলিয়ার ২৩টি এবং বাংলাদেশের ১টি সহ পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতের ৯৮টি, পাকিস্তানের ৬টি, ভুটানের ১টি, শ্রীলঙ্কার ১টি (N2YO n.d.)। আপনি হয়তো শুনে অবাক হবেন, একটি গবেষণায় দেখা গিয়েছে যে এই দশকের (২০৩০) শেষের দিক থেকে প্রতি বছর দশ হাজার সংখ্যক ছোট ছোট স্যাটেলাইট পৃথিবীর কক্ষপথে লঞ্চ হবার সম্ভাবনা রয়েছে (Garber and Vedda 2019)। এই খাতে অর্থনৈতিক বিকাশ ২০৩০ সাল নাগাদ ৬০০ বিলিয়ন ইউ-এস ডলার হবারও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে (Data source: Morgan Stanley) in (Viens 2019) যা বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৫১ লক্ষ কোটি টাকা।

আসলে কি এই স্যাটেলাইট? বিজ্ঞানের রাজ্যে এদের ভূমিকাই বা এত জরুরী কেন এবং কেনই বা এই বিপুল অর্থনৈতিক বিকাশের সম্ভাবনা? প্রথমে দেখে নেওয়া যাক এই প্রশ্নের প্রথম অংশের উত্তর হিসাবে মহাশূন্য সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে অগ্রণী ভূমিকা পালনকারী যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠান NASA কি বলছে। তাদের মতে স্যাটেলাইট একটা সাধারণ শব্দ। এই শব্দটি দ্বারা একটি নক্ষত্র বা গ্রহের কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান গ্রহ, উপ-গ্রহ অথবা যন্ত্রকে বুঝানো হয় (NASA 2014)। অর্থাৎ কোন নক্ষত্র বা গ্রহের মাধ্যাকর্ষণ শক্তির বলয়ের প্রভাবে ওই নক্ষত্র বা গ্রহ-কে কেন্দ্র করে নির্দিষ্ট কক্ষপথে ঘূর্ণায়মান কোন প্রাকৃতিক বস্তু বা পিণ্ড অথবা মনুষ্য সৃষ্ট কোন যন্ত্র -কে স্যাটেলাইট বলা হয়। বাংলায় মনুষ্য সৃষ্ট এই ধরনের যন্ত্রকে আরও স্পষ্ট করে ‘কৃত্রিম উপগ্রহ’ বলা হয়ে থাকে।

অন্যদিকে স্যাটেলাইটের গুরুত্ব অনুধাবন করতে হলে প্রথমেই স্যাটেলাইটের প্রকার সম্পর্কে একটা সম্যক ধারনা থাকা প্রয়োজন। কেননা নির্দিষ্ট প্রয়োজনের তাগিদে প্রতিটি স্যাটেলাইটে নির্দিষ্ট কোন প্রযুক্তি সংযোজন করা আবশ্যক হয়। এই সব প্রযুক্তির কর্মক্ষমতা লঞ্চ করার পূর্বেই পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। কারণ, স্যাটেলাইট একবার কক্ষপথে উৎক্ষেপিত হবার পর তাকে পৃথিবীতে নামিয়ে নিয়ে এসে মেরামত করা বা নতুন প্রযুক্তি সংযোজন করার কোন সুযোগ থাকে না। এই কারণে মূল স্যাটেলাইট-টি উৎক্ষেপণের আগে অনেক সময় ওই স্যাটেলাইটে ব্যবহারযোগ্য নির্দিষ্ট প্রযুক্তিটির কর্মক্ষমতা পরীক্ষা নিরীক্ষার জন্য মূল স্যাটেলাইটের একটা সংক্ষিপ্ত প্রটো-টাইপ (Prototype) কক্ষপথে পাঠানো হয়ে থাকে। যাহোক, ব্যবহারের প্রকার ভেদে বর্তমান সময়ে স্যাটেলাইট নয় ধরনের (Cyberphysics 2020) হয়ে থাকে। নীচে অতি সংক্ষেপে এই সব স্যাটেলাইট আর তাদের ব্যবহার বর্ণনা করতে চেষ্টা করলামঃ

১। জ্যোতির্বিজ্ঞান স্যাটেলাইট (Astronomy satellite) - কক্ষপথ থেকে এই ধরনের স্যাটেলাইটের শক্তিশালী টেলিস্কোপের সাহায্যে মহাশূন্যের গভীরে বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজ পরিচালনা করা হয়।

২। বায়ুমণ্ডলীয় স্যাটেলাইট (Atmospheric Studies Satellite)- এই ধরনের স্যাটেলাইট মহাশূন্য বিজ্ঞানের প্রথম দিকের প্রযুক্তি। তবে এই সব স্যাটেলাইটের প্রয়োজন সর্ব সময়ে চলমান। কেননা এই ধরনের স্যাটেলাইট ভূপৃষ্ঠের উপরের বায়ুমণ্ডলের বিভিন্ন বিষয় নিয়মিত মনিটর করে থাকে।

৩। কমুনিকেশন স্যাটেলাইট (Communication Satellite)- এক সময় পৃথিবীর দূর দূরান্তে টেলি-যোগাযোগ ব্যবস্থা যথেষ্ট কষ্ট-সাধ্য ছিল। পৃথিবীর কক্ষপথের অবস্থান থেকে এই ধরনের স্যাটেলাইট সেই সমস্যার সার্থক এবং গুরুত্বপূর্ণ সমাধান করতে সক্ষম হয়েছে। বাংলাদেশের বঙ্গবন্ধু-১ এই প্রযুক্তির স্যাটেলাইট। এই স্যাটেলাইট প্রযুক্তির আশীর্বাদে রেডিও-টেলিভিশন, মোবাইল ফোন এবং ইন্টারনেট যোগাযোগের মাধ্যমে আজ সমগ্র বিশ্ব যেন অনেক ছোট হয়ে গিয়েছে।

৪। রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট (Remote Sensing Satellite)- বিশ্ব অর্থনীতির প্রেক্ষাপটে এই ধরনের স্যাটেলাইট গুলির গুরুত্ব অপরিসীম এবং কমুনিকেশন স্যাটেলাইট এর সমতুল্য। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence) এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনা (Natural Resource Management) প্রযুক্তি সমূহের সাথে এই প্রযুক্তির সমন্বয় হয়ে এই স্যাটেলাইটের ব্যবহার অত্যন্ত দ্রুত বিস্তার লাভ করছে। এই ধরনের স্যাটেলাইটের Earth Observation প্রযুক্তির মাধ্যমে সরকারী এবং প্রাতিষ্ঠানিক এমন কি ব্যক্তিগত পর্যায়েও পৃথিবীর যে কোন স্থানে পরিবেশ, কৃষি, খনিজ সম্পদ, বন্যপ্রাণী এবং বন্য পাখীর মাইগ্রেশন, সাগরে অবৈধ কার্যকলাপ, ইত্যাদি ব্যবস্থাপনা ও নিয়ন্ত্রণের জন্য নিয়মিত মনিটর করা সম্ভব। বাংলাদেশ থেকেও ২০১৭ সালে ‘ব্র্যাক অন্বেষা’ নামে এই প্রযুক্তির একটা ক্ষুদ্র স্যাটেলাইট লঞ্চ করা হয়েছিল (প্রথম আলো ২০১৭)।

৫। অনুসন্ধান ও উদ্ধার স্যাটেলাইট (Search and Rescue Satellite)- এই ধরনের স্যাটেলাইট দুর্গম এবং বিচ্ছিন্ন এলাকা থেকে জাহাজ, বিমান এমন কি বিপদে পরা কোন ব্যক্তির বিপদ-সংকেত বা বিকন রিসিভ করে তার অবস্থান সনাক্ত করতে সক্ষম। সুতরাং এই প্রযুক্তির মাধ্যমে জীবন রক্ষাকারী প্রতিষ্ঠান গুলির উদ্ধার কাজ আগের থেকে অনেক সহজ হয়ে গিয়েছে।
৬। মহাশূন্য অন্বেষণ করা স্যাটেলাইট (Space Exploration Satellite)- এই ধরনের স্যাটেলাইট নির্দিষ্ট কোন কক্ষপথ পরিক্রম না করে সৌর জগতের গভীর বিচরণ করে ক্রমাগত ফটো এবং তথ্য সংগ্রহ করে মহাশূন্য গবেষণায় উল্লেখযোগ্য অবদান রাখছে। এই ধরনের স্পেস-মেশিন-কে স্পেস-প্রোব (Space-prob) বলা হয়ে থাকে। শুধুমাত্র আকার এবং প্রযুক্তিগত সাদৃশ্যের কারণে স্পেস-প্রোব-কে স্যাটেলাইট বলে অনেকে মনে করেন না।

৭। নেভিগেশন স্যাটেলাইট (Navigation Satellite)- এই ধরনের স্যাটেলাইট দিয়ে সমুদ্রে জাহাজ, আকাশে বিমান সহ প্রায় সকল প্রকার যানবাহনের অবস্থান ডিটেক্ট করা যায়। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে প্রায় প্রতিটি যানবাহন, এমন কি আমাদের হাতের মোবাইল ফোন বা আমাদের গাড়িতে ব্যবহৃত জিপিএস ডিভাইস গন্তব্যের গতিপথ নির্ধারণ করে থাকে।

৮। আবহাওয়া স্যাটেলাইট (Weather Satellite)- এই ধরনের স্যাটেলাইটের মধ্যমে ভূপৃষ্ঠ এবং বায়ুমণ্ডলের তাপ-মাত্রা, মেঘের গঠন, সমুদ্রের স্রোত, ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয় মনিটর করে আবহাওয়া-বিদ-রা নির্ভুল ভাবে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিয়ে থাকেন।

৯। রিকনিসেনস বা স্পাই স্যাটেলাইট (Reconnaissance or spy satellites)- দেশের নিরাপত্তার জন্য সামরিক বাহিনী এবং জাতীয় নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ-রা এই ধরনের গোপন স্যাটেলাইট ব্যবহার করে থাকেন। এই ধরনের স্যাটেলাইটের মধ্যমে শত্রুবাহিনীর অবস্থান, তাদের রেডিও কমুনিকেশন, মিসাইলের পজিশন, ইত্যাদি ডিটেকশন এবং মনিটরিং করা হয়। বর্তমান সময়ে এই ধরনের স্যাটেলাইট নির্দিষ্ট স্থানে সরাসরি মিসাইল আক্রমণ পরিচালনা করতে সক্ষম।

ইলেক্ট্রনিক এবং কম্পিউটার প্রযুক্তির উন্নয়নের সাথে সাথে চলতি সময়ে স্যাটেলাইট বা কৃত্রিম উপগ্রহ আগের চেয়ে অনেক বেশী কর্মক্ষম অথচ আকারে উল্লেখযোগ্য ভাবে ছোট হয়ে গিয়েছে। এদিকে পুনর্ব্যবহারযোগ্য লঞ্চিং-ভেহিকাল বা রকেট প্রযুক্তি আবিষ্কার হবার পর কোন স্যাটেলাইট কক্ষপথে পাঠানোর খরচ-ও উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে গিয়েছে। অর্থনীতির রাজ্যে এই অবস্থা অনেকটা হঠাৎ করেই বিরাট এক সম্ভাবনার সৃষ্টি করেছে। টেলি-কমুনিকেশন এবং রিমোট সেন্সিং স্যাটেলাইট এর ক্ষেত্রে বর্তমান সময়ের উন্নয়ন ব্যাপক এবং বিস্তৃত। উন্নত দেশগুলি এই বিরাট অর্থনৈতিক সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে তাদের মহাশূন্য সংক্রান্ত নীতিমালা সময়োপযোগী করে উন্নয়ন করতে উঠেপড়ে লেগে গিয়েছে। উন্নয়নশীল এবং মধ্যম আয়ের দেশগুলি তাদের গতানুগতিক শিল্পোদ্যোগ এবং অর্থনৈতিক বলয় থেকে বের হতে না পারার কারণে ক্রমাগত এই প্রতিযোগিতায় পিছনে পরে যাচ্ছে। ফলশ্রুতিতে ভবিষ্যতে তারা এই বিরাট অর্থনৈতিক সম্ভাবনা, দক্ষতা উন্নয়ন এবং শ্রম-সংস্থানের সম্ভাবনা থেকে বঞ্চিত হতে যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া সরকার মহাশূন্য বিষয়ে সম্প্রতি তাদের নীতিমালা ঢেলে সাজিয়েছে, সৃষ্টি করেছে মহাশূন্য বিষয়ে সরকারী দপ্তর Australian Space Authority। অস্ট্রেলিয়া এই খাতে ২০৩০ নাগাদ ১২ বিলিয়ন ডলার (এক লক্ষ ১৫ শত কোটি টাকা) অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং ২০ হাজার দক্ষ-অদক্ষ কর্ম-সংস্থান আশা করছে (Murfett 2019)।

কক্ষপথে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠানো আজ আর কোন বিস্ময় নয়। বিষয়টি আন্তর্জাতিক অথবা জাতীয় পর্যায়েও আর সীমাবদ্ধ নাই। ছোট বড় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান প্রতিনিয়ত তাদের নিজেদের স্যাটেলাইট লঞ্চ করে চলেছেন এবং সেই সব স্যাটেলাইটের প্রযুক্তিগত সেবা মার্কেটিং করে লাভবান হচ্ছেন। আমি নিজে বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ায় যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছি (Spiral Blue) সেই প্রতিষ্ঠানটি আগামী ডিসেম্বর ২০২০ তাদের প্রথম প্রটো-টাইপ স্যাটেলাইট লঞ্চ করতে যাচ্ছে। কৃষি এবং প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনায় এই স্যাটেলাইটের ‘Space Edge Computing’ প্রযুক্তি বিশেষ অবদান রাখবে বলে আশা করা যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়ার মহাশূন্য বিষয়ে প্রতিবেদনকারী প্রতিষ্ঠান Space Australia এই স্যাটেলাইট লঞ্চ প্রকল্পকে “could be a game-changer for many Earth Observation missions.” বলে মত প্রকাশ করেছে। অস্ট্রেলিয়ার কেন্দ্রীয় সরকারের অর্থায়নে একটি প্রকল্পে Spiral Blue বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ান ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রদের-কে ইন্টার্নশিপ (Paid or Unpaid) অফার করছে। বিস্তারিত জানতে হলে www.spiralblue.space দেখতে অনুরোধ করছি।


তথ্য সূত্র:
- Cyberphysics (2020), 'Uses of Satellites', , accessed 5 July, 2020.
- Garber, Stephen J. and Vedda, James A. (2019), 'Deja vu or sea change? Comparing two generations of large satellite constellation proposals'. , accessed 10 Sept, 2019.
- Murfett, Anthony (2019), 'Interview with Anthony Murfett, Deputy Head, Australian Space Agency', Australian Space Outlook, 2019 Edition, 15-19.
- N2YO (2020), 'SATELLITES BY COUNTRIES AND ORGANIZATIONS', , accessed 7 July, 2020.
- NASA (2014), 'What is a Satellite?', NASA Knows (updated 13 Feb, 2014) , accessed 30 June, 2020.
- UCS (2020), 'UCS Satellite Database', (updated 01 April, 2020) , accessed 7 July, 2020.
- Viens, Ashley (2019), 'Visualized: The Race to Invest in the Space Economy'. , accessed 8 July, 2020.
প্রথম আলো (২০১৭), 'দেশের প্রথম ন্যানো স্যাটেলাইট ‘ব্র্যাক অন্বেষা’র গ্রাউন্ড স্টেশন উদ্বোধন', প্রথম আলো ২৫ মে, ২০১৭





রফিক হক, সিডনি


Share on Facebook               Home Page             Published on: 16-Jul-2020


Coming Events: