bangla-sydney
bangla-sydney.com
News and views of Bangladeshi community in Sydney














আমার আমি’ই
মোস্তফা আব্দুল্লাহ



আশির দশকের কথা। সিডনী থেকে ফিরে গিয়ে আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্রে (ICDDR,B) কাজ শুরু করি ও অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকত্বের সুবাদে অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশন ক্লাবের সদস্যও হয়ে যাই। সেখানেই পরিচয় ফিল ভাওসির সাথে, যত দূর মনে পড়ে এটাই ছিল তার নাম। তিনি বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ার সেভ দি চিলড্রেন ফান্ডের প্রধান হিসাবে কর্মরত ছিলেন। আমরা সপ্তাহে তিন চার দিন করে টেনিস খেলতাম। নিয়মিত খেলাধুলার সুবাদে আমাদের সখ্যতা পারিবারিক পরিমণ্ডল পর্যন্ত গড়িয়ে গিয়েছিল। এই সুযোগে এখানে একটু নিজের বাদ্য বাজিয়ে নেই; অস্ট্রেলিয়ান হাই কমিশন এর হয়ে আন্ত-দূতাবাস টেনিস প্রতিযোগিতায়ও খেলেছি বেশ কিছুদিন। অন্য অন্য দূতাবাসের সাথে আমারা খুব একটা সুবিধা করে উঠতে পারি নাই কখনো, তবে ক্রিকেটের কথা ছিল ভিন্ন - সেটাতে আমারা সব সময়ই এক নম্বর ছিলাম। আজ অবশ্য হলফ করে বলতে পারব না, কেও বল টেম্পারিং করতো কিনা!

যাক যে কথার জন্য এই ভূমিকার অবতারণা সেখানেই ফিরে যাওয়া যাক। খেলা শেষে বিশ্রামের অবকাশে বেশ কিছু সময় কেটে যেত নানা গল্প গুজবে। ফিল বাংলাদেশে আসার আগে আফ্রিকা ও দক্ষিণ আমেরিকার আরো কয়েকটি দেশে এই একই ধরনের কাজ করেছে। তার কথাবার্তা থেকে আমার মনে হয়েছে যে বাংলাদেশিদের সম্বন্ধে সে মোটামুটি ভাল ধারনা পোষণ করে। যাদের সাথে তার কাজ কিম্বা কাজ উপলক্ষে যাদের সংস্পর্শে তাকে আসতে হয়, তাদের বেশির ভাগকেই নিজ নিজ কাজে করিতকর্মা বলে মনে হয়েছে তার। শুনতে খুব ভালো লাগতো। বিদেশির, তার মুখে আমাদের প্রশংসা!

এমনি করে প্রায় দুই বৎসরের মত পেরিয়ে গেল। ফিলের বাংলাদেশ থেকে ফিরে যাওয়ার সময় আসন্ন প্রায়। এমনি এক সন্ধ্যায় খেলা শেষে কথায় কথায় ফিল বললো যে বেশ কিছু দিন ধরে বাংলাদেশ নিয়ে একটা প্রশ্ন ওর মাথার মধ্যে ঘুর পাক খাচ্ছে। কাকে যে প্রশ্নটা করবে বুঝতে পারছিল না – অবশেষে সে মনস্থ করেছে, আমাকেই জিজ্ঞেস করার। ভিতরে ভিতরে একটু ঘাবড়ে গেলেও, চোখে মুখে এমন সাহসের ভাব ফোটালাম যে – করেই দেখো না, কি এমন প্রশ্নই বা করবে? ফিলের প্রশ্ন; “তোমাদের দেশে বিভিন্ন পেশার এত শিক্ষিত ও প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত জনগোষ্ঠী থাকতেও দেশটির এই বেহাল অবস্থা কেন?”

পাঠক বুঝতেই পারছেন তখন আমার অবস্থা। কোন রকম একটা ঔষধের ক্যানভাসার গোছের হলেও হয়ত একটা জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিয়ে ওকে ঠাণ্ডা করে দিতে পারতাম। আমাদের আর কিছু না থাকলেও, গলাটা কিন্তু অনেক উচ্চ মার্গের। একটু ইতি আতু করে বললাম; আমাদের এত বিরাট এক জনসংখ্যা, সম্পদের অভাব, ইত্যাদি, ইত্যাদি থাকা সত্ত্বেও আমরা কেমন দিন দিন এগিয়ে যাচ্ছি দেখতে পাচ্ছেনা? কথাটা বলেও খুব একটা জোর দিতে পারছিলাম না, কেননা কার্য উপলক্ষে বাংলাদেশের আশে পাশের দক্ষিণ এশিয়ার দেশ সমূহ ঘুরে আমার যে অভিজ্ঞতা হয়েছে তাতে আমার বধ্য-মূল ধারনা যে এদের অনেকই আমাদের থেকে আরো নাজুক পরিস্থিতি থেকে শুরু করে আমাদের থেকে অনেক এগিয়ে গেছে ইতিমধ্যে। তবুও ফিলকে একটু বেকায়দায় ফেলার জন্য বললাম; প্রশ্নটা যখন তোমার মাথায় এসেছে, নিশ্চয়ই তুমি এ ব্যাপারে কিছু একটা ভাবনা চিন্তা করেছ – তুমিই বল না, এ বিষয়ে তোমার ধারণাটা।

ফিলের বিশ্বাস যে বাংলাদেশের জনগণের মেধা ও কর্ম দক্ষতা তুলনা মূলক ভাবে অনেক দেশের থেকেই উন্নত। তথাপি ওইসব অনেক দেশ থেকেই বাংলাদেশ কেন পিছিয়ে রয়েছে – বিষয়টাকে বিশ্লেষণ মুখী নিরীক্ষকের চোখ দিয়ে দেখতে গিয়ে কয়েকটি বিষয় ওর দৃষ্টি আকর্ষণ করে। ওর অফিসে ওকে সহ জনা পচিশেক কর্মকর্তা কর্মচারী রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে জনা কয়েক খুবই করিতকর্মা, কিছু মাঝারি আর অন্যরা মোটামুটি। এদের মাঝে একজন আনুপাতিক ভাবে স্বল্প বয়স্ক এবং অন্যদের থেকে বেশি করিতকর্মা ও বুদ্ধিমান বলে মনে হওয়াতে তাকে ফিল দিনে দিনে আরও দায়িত্বপূর্ণ কাজে নিয়োজিত করে। ফিলের তত্ত্বাবধানে সে খুবই দক্ষতার সাথে কর্ম সম্পাদন করতে থাকে। এমত অবস্থায় তাকে শাখা প্রধানের পদে উন্নীত করা হয় যেখানে তাকে অধীনস্থদের তত্ত্বাবধান করতে হয় এবং তার নিজ শাখার কর্ম বিষয়ক সিদ্ধান্ত তাকেই নিতে বা দিতে হয়। আর তখন থেকেই শুরু হয় সমস্যার – বেশির ভাগ কাজেই সে তাল গোল পাকাতে শুরু করল, বিশেষ করে স্বাধীন ভাবে সিদ্ধান্ত নেবার ব্যাপারে। এমনকি সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েও তা কার্যকরী করতে ইতস্তত করত। যে কিনা একজন চৌকশ কর্মচারী ছিল ফিলের তত্ত্বাবধানে, তাকে তত্ত্বাবধায়কের আসনে বসিয়ে স্বাধীন ভাবে কাজ করার ক্ষমতা দেওয়ার পরই সে অকার্যকর হয়ে উঠলো কেন? বিষয়টা নিয়ে দুই একজন পরিচিত জনের সাথে আলাপ করে জানা গেল যে তাদেরও কারো কারো অভিজ্ঞতা নাকি অনুরূপ!

ফিলের কথা শুনতে শুনতে আমারও এমন একটি অভিজ্ঞতার মনে পড়ল। ICDDR’B তে ৬ জন উপ-পরিচালকের মাঝে ৩ জন ছিলেন বাঙালী ও বাকি ৩ জন বিদেশী। তাদের সবারই যার যার কর্ম পরিধিতে স্বাধীন ভাবে সিদ্ধান্ত নেয়া ও তা বাস্তবায়নের পূর্ণ ক্ষমতা ছিল। এদৎ সত্ত্বেও বাঙালী উপ-পরিচালকরা সাধারণত কোন স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিয়ে তা বাস্তবায়ন করার ব্যাপারে ইতস্তত করতেন এবং পরিচালকের সম্মতির অপেক্ষা করতেন। অন্য দিকে বিদেশীরা খুব সহজ সরল ভাবেই তাদের নিজ ক্ষেত্রের কাজ কর্ম স্বাধীন ভাবে সম্পন্ন করে যেতেন।

সেভ দি চিলড্রেন ফান্ডের একটা উল্লেখযোগ্য কাজ গ্রামে-গঞ্জে প্রাথমিক স্কুল সমূহে আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা প্রদান করা। এই উপলক্ষে ফিলকে দেশের বিভিন্ন জায়গায় স্কুল সমূহ পরিদর্শনে যেতে হোতো। তার আর একটি পর্যবেক্ষণ যে আমাদের গৃহে এবং স্কুলে দলগত (Group work) শিক্ষার প্রচলন নাই বললেই চলে। শিশু বয়স থেকেই চাপ দেয়া হয় ব্যক্তিগত উৎকর্ষতা ও শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনের। সমষ্টি গত কাজে উৎসাহের পরিবর্তে অনুৎসাহিত করা হয় বেশির ভাগ ক্ষেত্রে। ক্লাসে ফার্স্ট হওয়ার জন্য যে পুরস্কার সে তুলনায় তিনজনে মিলে একটা ফার্স্ট-ক্লাস কাজ করার পুরস্কার নিতান্তই নগণ্য। এর ফলে যদিও একক ভাবে অনেকেই তার নিজ নিজ ক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করতে সমর্থ হয়েছেন কিন্তু সমষ্টি গত ভাবে সে ধরনের সাফল্যের নজির খুব কম। ফলশ্রুতিতে আমারা যদিও অনেক কর্মী সৃষ্টি করতে সমর্থ হয়েছি কিন্তু সে তুলনায় দক্ষ দলনেতা বা পরিচালক গড়তে সমর্থ হয়ে উঠি নাই। এর প্রতিফলন আমারা অহরহ দেখতে পাই আমাদের সমাজ জীবনে – একই মতাদর্শের ও উদ্দেশের হয়েও বহু ক্ষেত্রেই আমারা এক সাথে কাজ করতে অপারগ হই! আমরা ব্যক্তিগত সাফল্য অর্জনে যতটা আগ্রহী, ততটাই আমাদের অবহেলা সমষ্টিগত সাফল্য অর্জনের প্রতি। সাফল্যের জন্য আমরা যতটা না পুরস্কৃত হই তার চেয় বহুগুণ বেশি তিরস্কৃত হই বিফলতার জন্য। অনেকেরই মনে থাকার কথা; পরীক্ষায় ভালো ফল করে বাড়ি ফিরে পুরষ্কার এর পরিমাণ বনাম উল্টোটা করে ফেরার তিরস্কারের আধিক্যের তফাৎ খানা! আর এই কারণেই আমরা কর্মক্ষেত্রে নূতন কিছু করা বা কোন ঝুঁকি নেয়া থেকে বিরত থাকি – পাছে না আবার ভুল হয়ে যায়! আর সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়েও তা কার্যকরী করতে ইতস্তত করতে হয় সময় সময়। এই সব দেশের মত আমাদের দেশে ‘দ্বিতীয় সুযোগ’ এর ধারনাটা খুবই কম।

সত্তর দশকের শুরুর দিকে যখন আমি ইউনিভার্সিটির পাঠ চুকিয়ে সরকারী চাকুরীতে ঢুকতে যাচ্ছি তখন এক মুরুব্বীজন এই বলে আমাকে উপদেশ দিয়েছিলেন যে; চাকুরীতে যদি নির্ঝঞ্ঝাট ভাবে উন্নতি করে যেতে চাও তবে নিজ থেকে আগ বেরে কাজ-কম্ম যথা সম্ভব কম করবে। মনে রাখবে যে তুমি যদি দশটা কাজ করো, তার মধ্যে একটা না একটা হয়ত ভুল হবে এবং সেটাই হবে তোমার জন্য কাল। সেটাই সবিস্তারে লেখা হবে তোমার “Confidential Report” এ এবং পদে পদে সেটাই তোমার ওপরে ওঠার পথে বাধা হয়ে দাঁড়াবে। আর যদি কোন কাজ কর্ম না করে শুধু ডাণ্ডা ঘুড়িয়ে বেড়াও তোমার “CR” থাকবে ফক ফকা পরিষ্কার আর উন্নতিও হবে দফায় দফায়! কথাটা যদিও তিনি রসিকতা করেই বলেছিলেন তবে তা একেবারে উড়িয়ে দেবার মত নয় বোধ হয়।

ফিলকে সামাজিকতা ও কার্য উপলক্ষে অনেক বাংলাদেশীদের আতিথেয়তা গ্রহণ করেছে সময় সময়। বহু পরিবারের গৃহ অভ্যন্তরের মার্জিত রুচি ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা তাকে মুগ্ধ করেছে। আবার একই সাথে ওই সব কিছু কিছু পরিবারকে নিজের চার দেয়ালের বাইরে সামনের রাস্তায় ময়লা ফেলতে দেখে বিস্মিত হয়েছে। এমনও দেখেছে যে বাড়ীর মালিককে সামনের রাস্তা থেকে ইট উঠিয়ে তার দেয়াল মেরামত করতে। এ ধরনের মানসিকতার কারণ সম্ভবত; আমরা বড় হয়ে উঠেছি “আমার” মানসিকতা নিয়ে, “আমাদের” মানসিকতা গড়ে উঠেনি বলেই বাড়ীর দেয়ালটাকে “আমার” ভাবছি, কিন্তু যে রাস্তা দিয়ে “আমি” সহ অন্য সবাই চলা ফেরা করি সেটাকে “আমাদের” ভাবতে শিখি নাই।

এই “আমি”ত্বের প্রভাব আমাদের সামাজিক আচার আচরণেও বিদ্যমান। দাওয়াত বা অন্য কোন আচার অনুষ্ঠানে বেশির ভাগ আমন্ত্রিতরাই নির্দিষ্ট সময়ের অনেক পড়ে উপস্থিত হন। এখানেও “আমার” সুবিধাটাকেই প্রাধান্য দেয়া হয় – পক্ষান্তরে আমন্ত্রণকারী বা অন্য অন্য আমন্ত্রিত অতিথিরা যে “আমার” সময় জ্ঞানের অভাব বা অজ্ঞতার কারণে অসুবিধার সম্মুখীন হতে পারে তা আমলে নেয়া হয় না! অথচ ওই একই ব্যক্তি কিন্তু ঠিক সময়মতই চাকরীর ইন্টারভিউ বা ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্টের জন্য হাজির হয়ে যান। কারণ একটাই, সেটা না করলে যে “আমার”ই ক্ষতি!

ফিলের ধারনা আমাদের অনগ্রসরতার কারণ সমূহ এসবই এবং এসমস্ত শুধরাতে হলে আমাদেরকে সমাজ/গৃহ-জীবন ও শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন আনতে হবে। যেখানে আগামী প্রজন্মের নাগরিকরা শিখবে দেশ গঠনে সম্মিলিত অর্জনের গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তা। তারা ‘আমি’ থেকে “আমাদের” কে গুরুত্ব দিবে বেশি। এই শিক্ষা কার্যক্রম হতে হবে দীর্ঘ মেয়াদি অর্থাৎ প্রাথমিক শিক্ষার স্তর থেকে। অর্থাৎ আজ যদি আমরা এই পরিবর্তনের শুরু করি তবে এই পরিবর্তনের ফসল ঘড়ে তুলতে আমাদের বিশ থেকে পঁচিশ বছর লাগবে। অর্থাৎ এই নূতন ধারায় শিক্ষিত প্রজন্ম যখন দেশের হাল ধরা শুরু করতে পারবে তখনি হয়ত পরিবর্তন দেখতে পাব। আর তখনি হয়ত সেই সোনার হরিণের দেখা পাব – যে সোনার হরিণের দেখা পাওয়ার কথা শুনে আসছি জ্ঞান হওয়া অব্ধি। এর মাঝে হিমালয়ের বরফ গলে কত জল গড়িয়ে গেল দেশটির উপর দিয়ে, মসনদেরও অদল বদল হোল কত বার – কিন্তু সোনার হরিণের আজও দেখা পাওয়া গেল না। সোনার হরিণের সন্ধান পাওয়ার জন্য যে শ্রম, সময় ও ধৈর্যের প্রয়োজন তা কি আমাদের আছে? আমারা কি প্রস্তুত আছি আগামী বিশ পঁচিশ বৎসর ধরে শ্রম দিয়ে নতুন প্রজন্মকে গড়ে তোলার?

নব্বই দশকের কথা – আমি তখন ইউ এস এইড এর একজন জ্বালানী বিষয়ক উপদেষ্টা দলের সদস্য হিসাবে বাংলাদেশ সরকারের জ্বালানী পরিকল্পনা প্রণয়নে কাজ করি। পরিকল্পনাটির একটি খসড়া নিয়ে আমারা মাননীয় মন্ত্রী মহোদয়ের দপ্তরে যাই তাকে অবহিত করার জন্য। শুরুতে আমাদের দল নেতা মন্ত্রীকে অবহিত করেন যে পরিকল্পনাটি তিনটি স্তরে বিভক্ত। প্রথমটি স্বল্প কালীন - পাঁচ বৎসর মেয়াদী, দ্বিতীয়টি মধ্যকালীন - দশ বৎসর মেয়াদী ও তৃতীয়টি দীর্ঘকালীন - পঁচিশ বৎসর মেয়াদী। মন্ত্রী মহোদয় চোখ কুচকিয়ে আমার দিকে তাকিয়ে বলে উঠলেন; আমদের ইলেকশন আর দুই বৎসর পর, পাঁচ বৎসর মেয়াদী পরিকল্পনা দিয়ে আমার কি লাভ – ওনাকে বলেন আগামী দুই বৎসরের মধ্যে কি করা যায় সেটা আমাকে বলতে!

আজকের এই লেখাটির হয়ত একটি উপযুক্ত পরিসমাপ্তি টানা যায় যুক্ত রাষ্ট্রের ৩৫তম প্রয়াত প্রেসিডেন্ট জন এফ কেনেডির একটি উক্তি দিয়ে;

বিখ্যাত ফরাসী মার্শাল লেয়তেঁ বাগানের মালীকে একটা গাছ রোপণ করার কথা বললে মালী আপত্তি জানায়, কারণ গাছটি খুবই আস্তে আস্তে বাড়ে এবং একশ বৎসর লেগে যেতে পারে পুরো পুরি বড় হতে। কথাটি শুনে মার্শাল লেয়তেঁ বলেছিলেন যে তাহলে তো আমাদের আর সময় অপচয় করা উচিত নয়, গাছটিকে আজ বিকালের মধ্যেই রোপণ করা উচিৎ।



মোস্তফা আব্দুল্লাহ, সিডনি, অস্ট্রেলিয়া



Share on Facebook                         Home Page



                            Published on: 16-Jul-2018