bangla-sydney
bangla-sydney.com
News and views of Bangladeshi community in Sydney












এই লিংক থেকে SolaimanLipi ডাউনলোড করে নিন



বাংলাদেশ হাইকমিশন ক্যানবেরায়
মহান শহীদ দিবস ও
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপিত



প্রেস বিজ্ঞপ্তিঃ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ বাংলাদেশ হাই কমিশন ক্যানবেরায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস - ২০১৮ যথাযথ মর্যাদা এবং ভাব-গম্ভীর পরিবেশের মাধ্যমে পালন করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রথম পর্বে সকাল ৬:১৫ ঘটিকায় হাই কমিশনের কর্মকর্তা/কর্মচারী ও অস্ট্রেলিয়া বসবাসরত প্রবাসী ও অভিবাসীদের নিয়ে প্রভাত ফেরী অনুষ্ঠিত হয়। অংশগ্রহণকারীরা শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে ভাষা শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। এরপর হাইকমিশনার সুফিউর রহমান জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন। ভাষা শহীদদের স্মরণে ০১ মিনিট নীরবতা পালন ও নিজ নিজ ধর্মমত ও প্রথা মোতাবেক মৌন প্রার্থনা করা হয়। দিবসটি উপলক্ষে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রী ও মাননীয় পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।



মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এর তাৎপর্য বিষয়ে আলোচনায় অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বাংলাদেশীরা স্বতঃ:স্ফুর্তভাবে অংশগ্রহণ করেন এবং একুশের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে বাংলাদেশকে আরো উন্নত ও মর্যাদা শীল দেশ হিসেবে গড়ে তোলার জন্য দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। তাঁরা আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রতিপাদ্য মাতৃভাষা সংরক্ষণে অস্ট্রেলিয়া সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে প্রবাসী বাংলাদেশীদের অগ্রণী ভূমিকার উপর আলোকপাত করেন।

হাইকমিশনার সুফিউর রহমান তাঁর বক্তব্যে সকল ভাষা শহীদ, ভাষা সংগ্রামী ও স্বাধীনতা যোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা ব্যক্ত করেন। তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর প্রতি ভাষা আন্দোলন ও স্বাধীন বাংলাদেশের অভ্যুদয়ে যুগপৎ নেতৃত্বের জন্য কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। তিনি বাংলা ভাষার উন্মেষের ইতিহাস তুলে ধরে বলেন যে, ধর্ম ও বর্ণের গণ্ডি পেরিয়ে বাংলা ভাষা এক ও অদ্বিতীয় বাঙ্গালী জাতি সত্ত্বার পরিচয় দিয়েছে যা ধর্মনিরপেক্ষ ও অসাম্প্রদায়িক। ক্ষুদ্র নৃ-তাত্ত্বিক গোষ্ঠীর ভাষাকে যথাযথভাবে মর্যাদা প্রদান ও বিলুপ্ত ভাষা রক্ষার জন্য বাংলাদেশ সরকার নিরলস চেষ্টা করছে বলে তিনি জানান । জাতিগত, ভাষাগত বৈষম্য ভুলে বিভিন্ন জাতি গোষ্ঠীর চিন্তা ও মননশীলতার বিকাশ ঘটাতে পারলেই আমরা বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তুলতে সক্ষম হবো বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। পরিশেষে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস এ নিহত সকল ভাষা শহীদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে মোনাজাত পাঠের মাধ্যমে সকালের অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।



অনুষ্ঠানের দ্বিতীয় পর্বে, সন্ধ্যা ৭:০০ ঘটিকায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সংক্রান্ত একটি প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হয়। প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শনের পর শিশু-কিশোরসহ স্থানীয় শিল্পীদের পরিবেশনায় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। প্রায় দেড় শতাধিক প্রবাসী ও অভিবাসী বাংলাদেশী উক্ত অনুষ্ঠান উপভোগ করেন এবং নৈশ ভোজে অংশ নেন।




Share on Facebook                         Home Page



                            Published on: 28-Feb-2018