bangla-sydney
bangla-sydney.com
News and views of Bangladeshi community in Sydney













সেভিল, ল্যুভ ও দ্যা ভিঞ্চির ‘সালভাতর মান্দি’
দিলরুবা শাহানা



শুনলেই মন উদাস হয়। চেতন অবচেতনে আকাখ্ঙা জাগে দেখার, পৃথিবীর এমন সব শহর বন্দর নগরের একটি হচ্ছে ফ্রান্সের রাজধানী, প্যারিস। সংস্কৃতি ও শিল্পের নগরী প্যারিসে আকর্ষণীয় অনেক কিছুই রয়েছে। আইফেল টাওয়ার, নোটরড্যাম গির্জা থেকে আর্ট গ্যালারী ল্যুভ, সবই দর্শনীয়। প্যারিস যেতে পারলে এই দর্শনীয় স্থানগুলো দেখার ইচ্ছে সবারই থাকে। ল্যুভ মিউজিয়াম দেখে এসে কতজন কত ভাবে যে এই গ্যালারী দর্শনের বয়ান লিখেছেন বলার অপেক্ষা রাখে না। নানা দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা সেসব বয়ান বা ভাষ্য। তা পড়ে পড়ে খুঁটিনাটি অনেক চিত্তাকর্ষক তথ্যই সমজদার পাঠকের জানা হয়েছে। ভবিষ্যতে হয়তো আরও অনেকের মাধ্যমে আরও জানা হবে।

ভাগ্যচক্রে নয় রীতিমত পরিকল্পনার ফাঁদে পা দিয়ে একবার প্যারিসে যাওয়া হয়েছিল। পুত্রধন বউমা সহ কর্মসূত্রে ইউরোপে গেছে। থাকবে ওরা কিছুদিন সেখানে। তারপরে কাজকর্ম শেষে আপন কুলায় ফিরবে একদিন, এই তাদের পরিকল্পনা। হীরামানিক্য আনতে নয়, এমন জায়গায় গিয়ে ইউরোপ মহাদেশের যতটা সম্ভব ঘুরে দেখার সুযোগ যেন হেলায় না হারায় এই কথাটা মনে করিয়ে দিয়েছি বার বার। নিজের ছাত্রজীবনে যৎসামান্য রেস্ত সম্বল করে যতটুকু ঘুরা সম্ভব ঘুরেছি। সব দেখা হয়নি, সাধ হয়েছে সাধ্যে কুলায়নি। ওরা রোজগেরে মানুষ ছাত্র তো নয়। খরচ করার মত সাধ্য আছে ওদের। এখন শুধু দরকার সময় আর চারপাশ ঘুরে দেখার ইচ্ছা। ওদের সাথে প্যারিস, মাদ্রিদ, বার্সেলোনা, প্রাগ, বুদাপেষ্ট, সুইসজ্যারল্যান্ডের বরফ ঢাকা পর্বতমালা ও ইতালির লেক কোমোর মতো সব জায়গায় সশরীরে না গিয়েও দেখা ও মজার মজার সব কাহিনীতে অংশ নিলাম প্রযুক্তির বদৌলতে বা কল্যাণে। তবে একদিন আমাকে চমকে দিয়ে বাছাধন ফোনে বললো
-মামনি এই মাত্র আমরা নিকোলাস টেসলা এয়ারপোর্টে নেমেছি; বলতো এটা কোথায়?
-নিকোলাস টেসলা একজন বিজ্ঞানী এটুকুই জানি, তার নামে এয়ারপোর্ট আছে তাতো জানতাম না!
-এটা হচ্ছে সেরভিয়ার বেলগ্রেডে। তুমি তো বহুদিন আগে সমাজতান্ত্রিক ইয়োগোস্লাভিয়ার শহর জাগ্রেব এসেছিলে তাইনা?
-তাইতো গিয়েছিলাম, তবে এ্যারোপ্লেনে নয় ট্রেনে।
-ওই দেশ ভেঙ্গে এখন অনেকগুলো রাষ্ট্র হয়েছে তারই একটা সেরভিয়া। টেসলা মিউজিয়াম ঘুরে এসে তোমাকে ফোন দেব, এখন রাখি।

ফোনটা রেখে একটু ভাবলাম। সেবার ইতালির লেক কোমো থেকে ভিডিও কলে দেখিয়েছিল চাইনিজ জ্যাসমিন বা আমাদের বেলী ফুলের সম্ভার। ওরা যখন ওইখানে তখন লেক কোমো মো মো করছিল বেলী ফুলের সুবাসে। না গিয়েও হাজার মাইল দূরে বসে সে সুবাস যেন এসে লাগলো আমার প্রাণে, অবশ্যই নাকে নয় । দেখেছি আর ভেবেছি শিল্পী মানুষ চিত্র তারকা দীপিকা পাডুকোন কেন লেক কোমোকে নিজের বিয়ের অনুষ্ঠানের জন্য বেছে নিয়েছিল। অবশ্যই অতিথিদের বেলী ফুলের সুবাসে মাতিয়ে দিতে।

বিজ্ঞানী টেসলা বৈদ্যুতিক আলোর কয়েল আবিষ্কর্তা বলে জানি, সেরভিয়া থেকে আলোর পরশ চোখে লাগতে পারে তবে গন্ধ নয়। জানা হল টেসলা মিউজিয়ামের অন্ধকার ঘরে দর্শনার্থীরা হ্যালোজেন দণ্ড হাতে সারি দিয়ে ঢোকা মাত্র কোথাও যেন অন্ধকার চিড়ে উঁচু স্তম্বের উপর আলোর শিখা ঝলসে উঠলো সাথে সাথে সবার হাতে হ্যালোজেন লাইট জ্বলে উঠলো। বিজ্ঞানী টেসলা'র এমনি মজার ক্ষমতা।
টেসলা মিউজিয়াম ঘুরে এসে ছেলে বললো
-টেসলা সম্পর্কে অনেক মজার কথা বলার আছে। এতো গল্প তোমাকে ফোনে শুনাতে পারবো না। আচ্ছা মা ইউরোপে কোন দেশটা এখনো তোমার খুব দেখতে ইচ্ছে করে বলতো?

-বেশী কোথাও নয় তবে গ্রানাডা একবার যেতে পারলে হতো
-ইউরোপে ইসলামের কীর্তি দেখার ইচ্ছা তাই না? তবে এই ট্যুর প্লান খুব গুছিয়ে তৈরি করতে হবে বুঝলে।

মনে মনে নিজেকে বললাম ইসলামের কীর্তিতো আছেই আরও আছে ফেদরিকো গার্সিয়া লোরকা, যিনি গ্রানাডার সন্তান, যাকে এই গ্রানাডা শহর থেকেই ১৯৩৮এ স্পেনের স্বৈরাচারী ফ্যাসিস্ত ফ্রাঙ্কো কোন চিহ্ন না রেখে লোপাট করে দিয়েছিল।

তো এভাবেই প্রায় স্বপ্নের ঘোরে এক মহাদেশ থেকে আরেক মহাদেশের দেশ ভ্রমণের ফাঁদে পা দেওয়া হল।

সময় সুযোগ মিলিয়ে দুবাই হয়ে মাদ্রিদ পৌঁছানো গেল। যাত্রা পথে দুবাইতে কিছুটা সময়ের জন্য যাত্রা বিরতি ছিল। গোসল-ঘুম-বিশ্রামের পর তরতাজা হয়ে আর এক জায়গায় রওয়ানা। সে হচ্ছে মাদ্রিদে। স্পেনের রাজধানী মাদ্রিদ শহরে একদিন কাটিয়ে এমন এক জায়গায় পৌঁছাব যার কথা ভাবিই নি। জায়গাটা হচ্ছে স্পেনের আন্দালুসিয়া অঞ্চলের রাজধানী সেভিল, যাকে স্প্যানিস ভাষায় সেভেইয়া বলে। এই জায়গা থেকে গ্রানাডা বাসে বা ট্রেনে ঘণ্টা তিনেকের রাস্তা। আবার সেই সেভিল বা সেভেইয়া থেকে ফ্র্যান্সের রাজধানী প্যারিসে বিমানে যেতে লাগে একঘণ্টা আর ট্রেনে লাগবে তিন ঘণ্টা। প্যারিসে তখন সরকারের পেনসন নীতির প্রতিবাদে হট্টগোল, হৈহৈ, রৈরৈ চলছে। যাওয়া হবে কি না তা পড়লো প্রশ্নের মুখে। আমার ইচ্ছা ও আকর্ষণ ট্রেনে যাওয়া। তা হলে পথের দৃশ্যাবলী দেখার অপূর্ব সুযোগ থাকে। পরিস্থিতি বিবেচনায় মনে হল তা হবার নয়। ট্রেনের টিকেট বাতিলই করতে হল কারণ প্যারিসে ট্রান্সপোর্ট ধর্মঘট তুঙ্গে তখন।

সময় ও সুযোগ ছিল বলে পরবর্তী যাত্রা নিয়ে ভাবার জন্য গ্রানাডা ঘুরে এসে আবার সেভিলে আরও দু’দিন থাকা হল। গ্রানাডার গল্প আলাদা করে শুনানোর ইচ্ছা । তাই অপূর্ব শহর সেভিলের কথা আজ বলি। এই শহর কমলা লেবুর শহর। পর্ণমোচী বৃক্ষ নয় এই কমলা গাছ। পাতা ঝরায় না এরা। পাতায় পাতায় পূর্ণ কমলা লেবুর গাছ সারা বছর সিভিলকে উষ্ণতা থেকে বাঁচিয়ে শীতল করে রাখে। সেভিলের পথে পথে দু’পাশে কমলা লেবুর গাছের সারি। গাছের ছায়ায় ছায়ায় ঢাকা রাস্তা । এর ফুল যখন ফোটে কমলাফুলের গন্ধে সেভিল শহর মাতোয়ারা হয়। ফলের মৌসুমের পড়ন্ত বেলায় এসেও দেখলাম অপূর্ব উজ্জ্বল রঙ্গের ফলের সম্ভার। রাস্তার দু’পাশের গাছে গাছে থোকা থোকা কমলা লেবু ধরে আছে। দুঃখের কথা হল এই কমলালেবু গাছ থেকে পেড়ে তখনই খাওয়া যায় না, কারণ এর স্বাদ এতো তেতো। স্থানীয় লোকজন জানালো এই কমলা লেবু ইংল্যান্ডে রফতানি করা হয় আর ইংরেজরা তা দিয়ে মার্মালেড তৈরি করে। স্পেনের সেভিলের তেতো কমলা দিয়ে ইংরেজদের বানানো সুস্বাদু সুইট অরেঞ্জ মার্মালেড পৃথিবীর যে কোন শহরে বসে কিনে খাওয়া যায়। বোঝার উপায় নেই যে গাছ থেকে পেড়ে এই ফল মুখে দেওয়ার জো নেই।
রোমানদের পতনের পর ইসলামের আধিপত্যের সময়ে আল আন্দালুসের এই শহরের সাথে সাথে মুসলমান শাসকদের নির্মিত আলকাজার প্রসাদ আজও তার সৌন্দর্য আর সৌকর্যের পশরা নিয়ে দর্শকের নয়ন নন্দিত করে। এই জায়গাতে রোমানদের সময়ে যে একটা স্থাপনা ছিল তাতেই মুসলমানরা আল কাসর অর্থাৎ প্যালেস বা রাজপ্রাসাদ নির্মাণ করে। ইতিহাস ঘাটলে জানা যায় ইউরোপে যে সময়কে মধ্যযুগ বলে অভিহিত করা হয়েছে, সে সময়কেই হাজার বছরের অন্ধকার সময়ও বলা হয়। ইউরোপের অন্ধকার সময়ে মুসলমান শাসন আইবেরিয়ান পেনিনসুলাতে প্রতিষ্ঠিত হয়ে শিক্ষা সংস্কৃতির বিস্তার করে। অংক, শল্যচিকিৎসা, জ্যোতির্বিদ্যায় মুসলমানদের অর্জন সে সময়ে স্পেনের কর্ডোভা শহর ও সেভিলের মাধ্যমে ইউরোপীয়দের কাছে পৌছায়। পরবর্তী খ্রিষ্টান রাজন্যবর্গ মুসলমানদের অসামান্য সুন্দর সব নির্মাণ ধ্বংস করেনি বরং নিজস্ব পছন্দনীয় না না প্রলেপ ও পরিবর্তনের মাধ্যমে সযত্নে রক্ষা করেছে, আরও উৎকর্ষ সাধন করছে। পৃথিবীর এই অঞ্চলে দ্রষ্টব্য হচ্ছে ইসলাম ধর্মীয় নকশামন্ডিত তৈরি শৈল্পিক নির্মাণ ও ইউরোপীয় রেনেসাঁর নানা উদাহরণ। এই সেই প্রাসাদ মুসলমান শাসনের অবসানের পরে পরেই স্পেনের ক্যাস্টিলিয়ান রানী ১ম ইসাবেলা বা ইজাবেলা ও রাজা ফার্ডিনান্ডের বাসর রাত হয় যেখানে। এই প্রাসাদ থেকেই রানী ইসাবেলার সনদ ও পৃষ্ঠপোষকতা নিয়ে ইতালীয় বংশোদ্ভূত ক্রিস্টোফার কলম্বাস দেশ আবিষ্কারের নেশায় সমুদ্রে তরণী ভাসান। কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের অভিযান এভাবেই সেভিলের আল কাজার প্রাসাদের এক দরবার কক্ষ থেকে অনুমোদন ও পৃষ্ঠপোষকতা পেয়ে শুরু হয়েছিল। সে দরবার কক্ষে কলম্বাসের জাহাজের ছোট একটি রেপ্লিকা আজও সংরক্ষিত যা স্প্যানীয়দের গৌরব আর শৌর্যকে স্মরণ করায়।

স্পেনের প্রকৃতি কিছুটা রুক্ষ ও শুষ্ক। সে দেশের পাথুরে ও রুখাশুখা আন্দালুসিয়া থেকে সমুদ্র পথে যাত্রা করে কলম্বাস আমেরিকা খুঁজে পেল। যার ফলশ্রুতিতে আমেরিকার বিরাট অঞ্চলে স্প্যানীয় উপনিবেশ স্থাপিত হয়েছিল। পরদেশ করায়ত্তে এনে উপনিবেশ স্থাপন যারা করে তা তাদের জন্য শক্তি, ক্ষমতা ও গৌরবের প্রদর্শন আর যাদের বা যে জনগোষ্ঠীকে এই শৃঙ্খলে বাঁধা হয় তা তাদের কাছে ক্ষমতাশীল ঔপনিবেশিকদের দূর্বৃত্তপনা ছাড়া কিছু নয়। তর্কাতীত বিষয়। দখলদার ঔপনিবেশিকরা কখনোই যত্নে ও মমতায় উপনিবেশের মানুষের মঙ্গল সাধন করেনি, বরং নির্মম হাতে নিষ্ঠুর পন্থায় লুণ্ঠন করে নিয়ে গেছে যত সম্পদ।

সাম্প্রতিক একটি সূত্রে উল্লেখিত যে ভারতীয় উপনিবেশ যখন ইংরেজরা করায়ত্ত করে তখন ‘India represented one quarter of the world economy when Britain began to conquer it in 1757. And it was we British who impoverished it. So argues Inglorious Empire, a remarkable new book…savagely critical… it demolishes the argument that the British were benign imperialists’(Matt Ridley, The Time). শশী থারুর Inglorious Empire What the British Did to India অতি সম্প্রতি ভারতে আকাদেমি পুরস্কার জয়ী একটি বই। যাতে লেখক দেখিয়েছেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী কলোনিয়াল শক্তি কিভাবে কনক-কাঞ্চন লুটেপুটে, ছিঁড়ে খামচে নিয়ে গেছে ভারতীয় উপনিবেশ থেকে। এই বইয়ের সমালোচক ম্যাট রেডলী টাইম পত্রিকায় লিখেছেন যে ব্রিটিশরা ‘নির্দোষ সাম্রাজ্যবাদ’ ছিল এমন যুক্তিকে গুড়িয়ে দিয়েছে শশী থারুর এই বই।

তবে যাহোক কলম্বাসের আমেরিকা আবিষ্কারের শতবর্ষকে স্মরণীয় করতে আন্দালুসিয়ার রাজধানী সেভিলে লা স্পানার নির্মাণ সত্যিই চমৎকার। অপূর্ব এক স্থাপনা। দু’দিন বেশী থাকাতে আরও কিছুটা সময় লা স্পানার পাথরের কারুকাজ করা উন্মুক্ত চত্বরে ঘোরা ও পোর্সিলিন টাইলস দিয়ে তৈরি নকশায় মুড়ানো স্পেনের বিভিন্ন শহরের প্রতিভূ মনকাড়া চিত্রগুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণের সুযোগ মিললো।

সেভিলের রয়াল আলকাজার প্রাসাদ ইসলাম, খ্রিষ্টীয় ও রেনেসাঁর নকশার দৃষ্টি-কাড়া বৈশিষ্ট্যের সমাহার। আরেক কথায় আল কাজার হচ্ছে মুসলিম ও খ্রিষ্টীয় শৈল্পিক সৃজনশীলতার সমাবেশ।

কতভাবে যে টাইলসে অপূর্ব আরবি ক্যালিগ্রাফিতে আল্লাহর নাম লিখে আল কাজার প্রাসাদের নানা দেয়াল মুড়ানো হয়েছে দেখার মত। যা কিছু সুন্দর তা নষ্ট করা হয়নি, ভেঙ্গে ফেলা হয়নি, ধ্বংস করা হয়নি। শিল্পের মর্যাদায় আজও তা রক্ষিত। নয়তো এক হাজার বছর আগে সুন্দর ভাবে খুদাই করে আল্লাহর নাম যে কাঠে লিখিত হয়েছিল সে কাঠ কাঁচ দিয়ে মুড়িয়ে আজ পর্যন্ত রক্ষিত হতো না।

প্রাসাদের প্রতিটি অঙ্গন ও কোনে গাছপালা ও পানির নহর বইয়ে দিয়ে এমন স্বস্তি ও প্রশান্তির উদ্যান নির্মাণ করা হয়েছে যা ক্লান্তি মুছিয়ে দেয়। আল কাজার প্রাসাদের এমনি এক অঙ্গনে (বিশাল কত যে চত্বর রয়েছে যাতে বাগান ও পানির নহর রয়েছে অনেক) কোনে মানুষের তৈরি এক স্থাপনা যা দেখতে আহামরি নয় তবে এর কর্মকাণ্ড অবাক করার মত। দেখা যাচ্ছে উঁচু পাথরের গা বেয়ে পানির ধারা নামছে আর বাতাস বয়ে যাওয়ার সময় তাতে বাজনা বেজে উঠছে বা সাংগীতিক ধ্বনি ছড়িয়ে পড়ছে। এটা শাসকদের নির্মিত এক শিল্পকর্ম যা বহমান বাতাস ও ঝিরঝির করে নেমে আসা পানির মিলনে বেজে উঠে। মানুষ যে চিত্তের আনন্দের জন্য কি কৌশলে প্রকৃতির সম্ভারকে (এক্ষেত্রে বহমান পানি ও বাতাস) এমন শৈল্পিক ভাবে কাজে লাগিয়েছে তা দেখে বিস্ময় জাগে!



পরের অংশ






Share on Facebook               Home Page             Published on: 23-Aug-2020


Coming Events: