গল্পএক এক এম এস আরেফীন
মোবাইল ফোনের এফ বি ম্যাসেঞ্জারের শব্দে ঘুম ভাংলো জাহিনের। চোখ খুলতেই চেহারা বরাবর ঝুলন্ত বিশাল দেয়াল ঘড়িটা দৃশ্যমান হয়। সকাল ১১ টা ৪০। গতকাল রাতে নিখিলের বাসায় নিউ ইয়ার পার্টি ছিলো। অসাধারণ পার্টি। আর হবেই বা না কেন? আকর্ষণ যে ছিলো। আসলে সেটাকে আকর্ষণ বলা ভুল হবে, বলতে হবে, “সেই রকম আকর্ষণ”, কঠিন, জটিল, পাঙ্খা টাইপ আকর্ষণ। পার্টি, আর তার আকর্ষণ শেষ করে জাহিন বাসায় ফেরে রাত সারে, না ভোর রাত সারে চারটায়। দেশে আজকাল এসব পার্টিগুলো বেশ পপুলার, আর দিন দিন এর জনপ্রিয়তা বাড়ছেই। প্রতিবছর নিউ ইয়ার সেলেব্রেশনকে ঘিরে বিভিন্ন জায়গায় হাজারো হাজারো আয়োজন। আবার ঢাকার ক্লাব আর হোটেলগুলোতে নতুন নতুন চমক আর আয়োজন যুক্ত করা হয় এবং সব খানেই পার্টি চলে ভোর রাত পর্যন্ত। শুধু হোটেল বা ক্লাব নয়, ব্যক্তিগত পর্যায়ে যারা এসব পার্টি আয়োজন করেন তারাও কম যাননা, আজকাল তাদের পার্টিতেও থাকছে রকমারি চমক যেমনটা ছিল গতকাল রাতের নিখিলের পার্টিতে। গতবছর নিখিলের বাসার পার্টির চমক ছিল, ডি যে। আর এবারের চমকতো আরো পাঁচ ডিগ্রী বেশী। এবারও ডি যে ছিল, যা শুরু হয় রাত দশটার দিকে। তারপর ঠিক রাত বারোটায়, পাঁচজন বেলি ড্যান্সার এসে তাদের উদর ও নিতম্বকে বিভিন্ন ভাবে দুলাতে ও নাচাতে লাগলো। আর তাদের সে কি কৌশল, কি দুর্দান্ত দক্ষতা। মজলিশের প্রতিটি জোড়া চোখ তাদের পেটের ভাজ ও ঢেউয়ের দিকে চুম্বকের মত আটকে ছিল পুরো ত্রিশ মিনিট। ভোর রাতে বাড়ি ফেরার সময় জাহিন ভাবছিলো আগামী পার্টিতে ডি যে আর বেলি ড্যান্সার কনফার্ম তবে তার সাথে নতুন চমকটা কতটা চমকপ্রদ হবে এক আল্লাহই মালুম। তবে এই সমস্ত পশ্চিমা ধাঁচের চমকগুলোর জন্যই দেশের এইসব পার্টিগুলো আজকাল খুব হট কেক এবং ভবিষ্যতে যে এদের কদর আরো বাড়বে তাতে কোন সন্দেহ নেই।
জাহিন বালিশের পাশে রাখা মোবাইলটা হাতে নিলো। আজ নতুন বছরের প্রথম দিন। ১, ১, ২০১৯ তারিখটা তার মোবাইলের বড় স্ক্রিনে স্পষ্ট করে দেখা যাচ্ছে। তারিখটা দেখে কেন যেন হঠাৎ তার মনটা এক অদ্ভুত মহানন্দে ভরে উঠলো। নতুন বছর নতুন দিন, তার কাছে মনে হচ্ছে আনকোরা নতুন কাপড়ের ভাজ খুলে একটু পরেই গায়ে চরিয়ে ঈদের নামাজে যাবে। এক এক, এই দিনটি সবার জীবনেই একটি নতুন দিন। ঈদ, পূজা, বড়দিন, বৌদ্ধ পূর্ণিমা এইসব দিনগুলোতে হয়তো সব ধর্ম বর্ণের লোকেরা একসাথে আনন্দ করতে পারেনা। কিন্তু এক এক, এই দিনটি জাতি ধর্ম নির্বিশেষে সবার জীবনে নিয়ে আসে একটা নতুন অধ্যায়ের, আর তাই সবাই একসাথে আনন্দ করতে পারে। এক এক, দিনটা সবার জন্যই নতুন, আনকোরা আর আনন্দময়। এসব ভাবতে ভাবতে জাহিন এফ বি ম্যাসেঞ্জার ওপেন করলো। তার বন্ধু সজীব ম্যাসেজ দিয়েছে হ্যাপি বার্থডে। ম্যাসেজটা পড়া মাত্রই, জাহিনের মন যতটা ভাল ছিল ঠিক ততটাই খারাপ হয়ে গেল। কারণ আজ তার জন্মদিন নয়। জাহিন জানে আজ সারাদিন তার বন্ধুরা তাকে উইশ করবে, ম্যাসেজ পাঠাবে। তার বন্ধুরা যতই তাকে উইশ করবে তার মেজাজ ততই খারাপ হবে। তাই জাহিন ঠিক করলো আজ সারাদিন ফোন বন্ধ রাখবে। যেমন ভাবা তেমনই কাজ। জাহিন ফোন হাতে নিলো শাট ডাউন করার জন্য। ঠিক সেই মুহূর্তে দেখলো এফ বি তাকে জানাচ্ছে যে আজকে তার আরো ৫৭ জন বন্ধুর জন্মদিন। এফ বি ম্যাসেজ টা পড়েই জাহিন সাথে সাথে তার মোবাইলটা শাট ডাউন করলো।
জাহিন জানে যে এফ বি অথবা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম গুলোতে অনেকেই কোন বিশেষ কারণে নিজেদের আসল জন্ম তারিখ রেকর্ড করা থেকে বিরত থাকেন। তাই তারা অনেকেই এক এক, কে তাদের জন্ম তারিখ হিসেবে রেকর্ড করেন। কিন্তু জাহিনের বেলায় সেটা নয়, তার সমস্যা হচ্ছে সে নিজেও জানে না যে আসলে তার জন্ম তারিখ কবে। সালটা সে জানে কিন্তু দিন আর মাস সে জানেনা। আর এই না জানাটাই তাকে অনেক কষ্ট দেয়। সে কিছুতেই মেনে নিতে পারে না যে একটি মানুষ তার আসল জন্ম তারিখ জানবে না। জাহিনের মত এমন অনেকেই আছেন যারা আসলেও তাদের নিজেদের জন্ম তারিখ জানে না। জাহিনের স্পষ্ট মনে আছে কয়েক বছর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেট টিম টেস্ট ম্যাচ খেলছিলো কোন এক দলের সাথে এবং সেটা এক এক, তারিখে। সেদিন খেলার ধারাভাষ্যকার হাসতে হাসতে তাচ্ছিল্যের সাথে বলছিলেন যে “আজ বাংলাদেশ টিমের সাতজন খেলোয়াড়ের জন্মদিন, এটা কি করে সম্ভব?”
জাহিনের জন্মের প্রায় দু তিন মাস আগে তার দাদা হঠাৎ করেই মারা যান। তার দাদা মারা যাবার সময় রীতিমত বিশাল এম্পায়ার রেখে গিয়েছিলেন। কিন্তু কাকে কি দেবেন সেই ব্যাপারে কোন কিছুই কাউকে বলে যাননি বা কোন উইল ও করে যাননি। তাই সেই এম্পায়ার থেকে কে কি ভাগ পাবে সে নিয়ে তার বাপ চাচা ফুপুদের মাঝে বিশাল ঝামেলা লেগে যায়। গণ্ডগোলটা এতটাই ভয়ংকর রূপ নেয় যে সেই সুবাদে তার ছোট ফুপা খুন হন। ভাই বোনের মাঝে দ্বন্দ্ব, ফুপা খুন, থানা পুলিশ এই সবের মাঝে জন্ম নিল জাহিন। সুতরাং পরিবারের বিশাল বিশাল সব ঝামেলার মাঝে তার জন্মের বিষয়টা একেবারেই ধামাচাপা পরে গেল। বাসার কারো সেই অবস্থা ছিলনা বা ভুল করেও কেউ মনে করেনি যে পরিবারে একজন নতুন অতিথির আগমন হয়েছে এবং সেই নবজাতকের জন্ম তারিখটি সরকারি নিয়ম অনুসারে সরকারি খাতায় নিবন্ধন করতে হবে এবং সেই বাবদ একটা সার্টিফিকেট বা সনদ ও বের করতে হবে। অন্যদিকে জাহিনের মা তার নানার একমাত্র মেয়ে। জাহিনের জন্মের আগেই তার নানা মারা গেছেন আর নানী শয্যাশায়ী সুতরাং ঐ পক্ষেও কেউ ছিলনা যে কিনা তার জন্মতারিখটি নিবন্ধন করার দায়িত্ব নেবে। আর এদিকে দাদা বাড়ির সমস্যা বাড়তেই লাগলো। ফুপাকে খুন করার অপরাধে তার বড় চাচার জেল হয়ে গেল, সম্পদ বণ্টন সংক্রান্ত ঝুট ঝামেলা,থানা পুলিশ, কোট কাচারি করে সব কিছু যখন শান্ত হলো তখন তার বয়স সাড়ে তিন। যেহেতু বাবার উপরে মায়ের কোন কথাই চলতো না, সুতরাং তার মায়ের ও কোনদিন মনেই হয়নি যে ছেলেটার জন্ম তারিখটা রেকর্ডে রাখা প্রয়োজন। সব ঝামেলা শান্ত হয়ে গেলেও তার জন্ম তারিখ নিয়ে কারো কোন মাথা ব্যথাই ছিল না। মাথায় ব্যথা উঠলো তখন, যখন স্কুলে ভর্তির সময় জন্মতারিখ চাওয়া হলো। সেই সময় সবার টনক নড়লেও তখন বড্ড দেরী হয়ে গেছে। আর তখন পরিবারের সবার মগজ একসাথে করেও জাহিনের আসল জন্ম তারিখটা আর কোন ভাবেই উদ্ধার করা সম্ভব হলো না। ভাগ্যিস তার জন্মের বছর তার দাদা মারা গিয়েছিলেন তাই অন্তত জন্ম বছর টা সবারই মনে আছে, শুধু মাস ও দিন বাদ দিয়ে। এদিকে সময় কাছিয়ে আসলো স্কুলে জন্মতারিখ জমা দেবার। সমস্যার কোন সমাধান না হওয়াতে বাবা গেলেন স্কুলের হেড মাষ্টারের সাথে কথা বলতে, যদি কোন সুরাহা মেলে। সেদিন জাহিন ও উপস্থিত ছিল। সব ঘটনা শুনে হেড মাষ্টার মুখে পান পুরতে পুরতে বললেন। এ আর নতুন কি? এতো প্রতিবছরের সমস্যা। আর সমাধান ও সহজ। আপনার অপশন দুটো, হয় এক এক, বা একত্রিশ বারো বসিয়ে তারপরে সালটা জুরে দেবেন। ব্যাস হয়ে গেল জন্মতারিখ তৈরি। ৩১/১২ বছরের শেষ। ইতি বিষয়টা যেন কেমন কেমন লাগে তাই বাবা এক এক, বেছে নিলেন। অতএব এক এক, এর পরে তার জন্ম সালটা জুরে দিয়ে তার জন্ম তারিখ তৈরি করা হলো। দর্জির দোকান থেকে কাপড় কেটে নতুন শার্ট তৈরি করে বাসায় ফেরার মতই হেড মাষ্টারের দোকান থেকে নিজের নতুন জন্ম তারিখ বানিয়ে জাহিন বাসায় ফিরলো। সেদিন জাহিনের অনেক মন খারাপ হয়েছিলো। অন্য কেউ একজন তার ইচ্ছা মত অপশন দিলেন আর বাবা একটা অপশন চুস করে তার জন্মতারিখ বানিয়ে নিলো। এই ব্যাপারটা জাহিন আজও মেনে নিতে পারেনি। ওই যে সেদিন তার ভাল লাগেনি, সেই ভাল না লাগাটা আজো চলছে। কেউ একজন তাকে একটা নতুন জন্ম তারিখ বানিয়ে দিলো সেই মেকি মিথ্যা নকল জন্ম তারিখটা সে আজো বহন করছে এবং ভবিষ্যতে ততদিন বহন করবে যতদিন না সে তার নিজের আসল জন্মতারিখ জানতে পারে অথবা তার মৃত্যু হয়। এবং সেই দিন থেকে যতবার এক এক, কে সে তার জন্ম তারিখ হিসেবে লিখেছে বা বলেছে ঠিক ততবারই তার খুব কষ্ট হয়েছে। পললীকেও তার নিজের জন্ম তারিখটা বলতে তার আরো অনেক কষ্ট হয়েছে। পললী তার কলিগ, ছিলো। পরিচয় থেকে প্রেম। আজ এক বছরের বেশী তাদের জানাশোনা হলেও তাদের প্রেমের বয়স মাত্র তিন চার মাস। প্রতিবারই জন্মতারিখ বলার বা লেখার সময় সে খুব অনুশোচনায় ভোগে। সে মনে মনে ভাবে সে এটা কি করছে, এটা তো তার আসল জন্ম তারিখ নয়। এটা তো মিথ্যা ও মেকি। তার চেয়েও যে বিষয়টা তাকে খুব বেশী দংশন করে তা হলো তার নিজের স্বকীয়তা, স্বত্তা এবং অস্তিত্ব। একটি মানুষের জন্মলগ্নটি তার জীবনের সবচেয়ে, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ঠিক যেই মুহূর্তে একটি শিশু জন্ম নেয়, সেই ক্ষণটা সেই শিশুর একান্ত একটা মুহূর্ত, তার খুব আপন একটি মুহূর্ত। সেই দিনটি তার আপন দিন, তার নিজের দিন, শুধুই তার দিন। কাজ কর্ম, পড়াশুনা, ক্যারিয়ার বা প্রফেশনাল লাইফ অনেকের সাথে এক হলেও মানুষের নাম, অবয়ব এবং তার জন্ম তারিখ তাকে অন্যদের থেকে আলাদা করে। এবং এই তিনটি মুল বিষয় একটি মানুষকে স্বত্তা ও স্বকীয়তা ও অস্তিত্ব দান করে। সেখানে কেউ যদি তার নিজের জন্ম তারিখ টা না জানে তাহলে তো সেই স্বত্তা ও অস্তিত্ব তার অলংকার ও শোভা হারায়। জাহিনের ইউনিভার্সিটির এক ক্লাসমেট আছে রেজওয়ান। তারো একই সমস্যা। জন্ম তারিখ নিয়ে বিভ্রাট। তার জন্ম তারিখ ও এক এক। তার সাথে কথা বলে জানতে পারে, তাদের গ্রামের বাড়িতে নাকি এসব জন্ম তারিখ তারিখ নিয়ে কেউ কোন কেয়ার ই করে না। একটি শিশু জন্ম নেবার পরে তার জন্ম তারিখটি যে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী অত্র অঞ্চলের পৌরসভা বা পরিষদের মারফত সরকারি খাতায় লিখাতে হবে এবং তার একটি বার্থ সার্টিফিকেট বানাতে হবে সেই জ্ঞান, দায়িত্ববোধ বা সচেতনতাটুকু নাকি তাদের গ্রামের কারোর ই নেই।
তাই তার গ্রামের মোটামুটি সব মানুষের জন্ম তারিখ হয় এক এক বা একত্রিশ বারো। শিশু জন্ম নিয়েছে, খুব ভাল ও শ্রুতিমধুর একটা নাম রেখে গরু খাসি কেটে আকিকা দিয়ে মানুষ জনকে নেমন্তন্ন দিয়ে সবার পেট পূজা করিয়ে দায়িত্ব শেষ। আজকের এই যুগে একটা মানুষ তার জন্মতারিখ জানেনা অথবা কোন এক গ্রামের সবার জন্ম তারিখ ই এক এক বা ৩১/১২ এই বিষয়টা এ যুগে কি করে মেনে নেয়া যায়। একটা মানুষ জন্ম নেবার পর কি সে তার আকিকার ছবি সাথে নিয়ে ঘুরবে আর সবাইকে দেখিয়ে বলবে ভাই দেখেন দেখেন আমার আকিকার ছবি। এতেই প্রমাণ হয় যে আমার জন্ম হয়েছিল, নাকি সরকারি নিয়ম অনুযায়ী নিবন্ধনের পর একটা বার্থ সার্টিফিকেট পাবে, যেটা সারাজীবন সবখানে ব্যবহার করবে?
একটা মানুষের স্বত্তা, স্বকীয়তার ও পরিচয়ের বড় অংশ তার নাম, তার মুখশ্রী আর তার জন্ম তারিখ। আর বাকি সব সেকেন্ডারি আইডেন্টিটি। আর তাইতো পৃথিবীর সব উন্নত দেশের সকল আইডেনটিটি ডকুমেন্টে যে তিনটি জিনিষ বাধ্যতামূলক ভাবে থাকে তা হলো নেইম, ডেইট অব বার্থ আর ফটোগ্রাফ যা কিনা আমাদের দেশের স্মার্ট আইডি কার্ড, ভোটার কার্ড বা পাসপোর্টেও বাধ্যতামূলক। একটি মানুষের চেহারা, নাক, নকশা, মুখশ্রী, উপর ওয়ালা প্রদত্ত। শিশুটির নাম তার মা বাবা অথবা পরিবার পরিজনের দেয়া। শুধু একটি মাত্র জিনিষ যা জন্ম মুহূর্ত থেকে তার নিজের তা হচ্ছে জন্ম তারিখ। জন্ম মুহূর্তে একটি শিশুর সেই জ্ঞান, ক্ষমতা, বিবেক, বুদ্ধি কিছুই থাকে না যে সে তার নিজের জন্ম তারিখ কোন ডায়রিতে লিখে রাখবে যেমনটি থাকে না তার নামের বেলায়ও। তাই জন্ম তারিখ ও নাম নিবন্ধনের জন্য একটি শিশুর একমাত্র ভরসা মা বাবা অথবা কাছের আত্মীয় অথবা কোন সুহৃদ ব্যক্তির দায়িত্ববোধ, সচেতনতা ও স্বদিচ্ছা। অথচ একটি শিশুর নাম জন্মতারিখ যেটা তার পরিচয় সেটা ভুলে গিয়ে যখন মা বাবা আত্মীয়রা গরু খাসি কেটে আকিকা করে, অথবা পরিচয় প্রতিষ্ঠার বিষয়টা অবহেলা করেন বা নজরে আনেন না তখন সেই শিশুটিকে একটি মিথ্যা ও মেকি জন্ম তারিখ নিয়ে সারাটা জীবন কাটাতে হয়। কখনো কোন মা বাবা কি সেটা ভেবেছেন যে সারাটা জীবন একটা মিথ্যা জন্ম তারিখ বয়ে বেড়ানো কতটা কষ্টের।
       পরের অংশ 
|